কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে অভিযুক্ত ছাত্রশিবিরের এক নেতার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে টঙ্গী সরকারি কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
রবিবার (১৪ জুন) সকাল ১১ টায় টঙ্গী সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতা এম এইচ আরিফ। তিনি বলেন, “ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্টের মতো গুরুতর অভিযোগের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর পরিচয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচার করা অনৈতিক, অমানবিক এবং আইনবিরোধী। যারা নৈতিকতা ও আদর্শের কথা বলে, তাদের সংগঠনের নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”
টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহানা আলাউদ্দিন সুমন বলেন, “যেকোনো অপরাধের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয় নয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই মুখ্য হওয়া উচিত। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাঙ্গন ও সমাজে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত বিচার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমরা চাই, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক এবং ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাক।”
সমাবেশ থেকে বক্তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষাঙ্গনে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। একই সঙ্গে নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বানও জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে অভিযুক্ত ছাত্রশিবিরের এক নেতার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে টঙ্গী সরকারি কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
রবিবার (১৪ জুন) সকাল ১১ টায় টঙ্গী সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতা এম এইচ আরিফ। তিনি বলেন, “ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্টের মতো গুরুতর অভিযোগের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর পরিচয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচার করা অনৈতিক, অমানবিক এবং আইনবিরোধী। যারা নৈতিকতা ও আদর্শের কথা বলে, তাদের সংগঠনের নেতার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”
টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহানা আলাউদ্দিন সুমন বলেন, “যেকোনো অপরাধের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয় নয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই মুখ্য হওয়া উচিত। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন এবং দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাঙ্গন ও সমাজে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত বিচার এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমরা চাই, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক এবং ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাক।”
সমাবেশ থেকে বক্তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শিক্ষাঙ্গনে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। একই সঙ্গে নারী নির্যাতন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বানও জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন