সময় বেলা

আর্কাইভ দেখুন

আড়াইহাজারে পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

আড়াইহাজারে পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।বুধবার (৫ আগস্ট) পরিচালিত অভিযানে একটি পুরোনো মামলার তিন আসামি এবং সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আরও দুই আসামিকে আটক করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আ. আজিজ সরকার পলাশ (২২), মনির হোসেন সরকার ওরফে শিকদার (৪৮), রাকিবুল (২০), মাহবুবুর রহমান এবং মোকশেদ আলী (১৮)।পুলিশ জানায়, বিভিন্ন মামলা ও সিআর ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পাঁচজনকে পুলিশি প্রহরায় নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


লাল টেলিফোনে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

লাল টেলিফোনে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রতিষ্ঠিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধনের পর জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি জাদুঘরে সংরক্ষিত একটি লাল টেলিফোনে রেকর্ডকৃত শেখ হাসিনার কলের অডিও শোনেন।বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে তিনি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন।পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে সংরক্ষিত আলোকচিত্র, ঐতিহাসিক দলিল, স্মারক এবং ঘটনাপ্রবাহভিত্তিক বিভিন্ন প্রদর্শনী পর্যবেক্ষণ করেন। জাদুঘরের এক পর্যায়ে তিনি প্রদর্শনীতে রাখা একটি লাল টেলিফোনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সংরক্ষিত কল রেকর্ডও শোনেন।জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন পর্যায়, আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, আত্মত্যাগ এবং গণঅভ্যুত্থানের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। এসব প্রদর্শনী ঘুরে দেখে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রী, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরার লক্ষ্যেই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। উদ্বোধনের দিনটি বিশেষ অতিথি ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।


অন্তত দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সক্রিয় হলো সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইট

অন্তত দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সক্রিয় হলো সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইট

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রায় দেড় ঘণ্টা প্রবেশ করা যায়নি। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরকারের এসব ওয়েবসাইটে প্রবেশের জন্য বারবার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। তবে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রবেশ করা গেছে।এ সময় দেখা যায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) ওয়েবসাইটে বারবার প্রবেশের চেষ্টা করেও সফল হওয়া যাচ্ছে না। প্রবেশের চেষ্টা করলে স্ক্রিনে ‘ত্রুটি’ বার্তা ভেসে আসছে।এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের জিওভি ডট বিডি (gov.bd) ডোমেইনের আরও কয়েকটি ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করলেও স্ক্রিনে একই ধরনের বার্তা প্রদর্শিত দেখা গেছে।এদিকে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে দেখা যায়, প্রবেশ করতে না পারা সরকারি সেসব ওয়েবসাইটগুলো পুনরায় ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠেছে।এ ব্যাপারে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সমস্যা শনাক্ত করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এই ত্রুটি দেখা দিয়েছে। শিগগিরই পরিষেবা পুনরায় স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।


জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদ ও আহতদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।দিবসের শুরুতে দূতাবাসের সম্মেলন কক্ষে শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়।আলোচনা সভায় জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ পরিবার ও আহতদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় পুনর্বাসন এবং তাদের মুক্তিযোদ্ধাদের মতো দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণমূলক সুবিধার আওতায় আনা অত্যন্ত আবশ্যক।রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে জাতীয় ঐক্য ও দেশ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে যে গণআকাঙ্ক্ষার জন্ম হয়েছে, তা বাস্তবায়নে একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনই আমাদের মূল লক্ষ্য। নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় বর্তমান সরকারের কল্যাণমুখী উদ্যোগগুলোকে সমর্থন জানানোর পাশাপাশি গঠনমূলক পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে আমাদের নাগরিক ভূমিকা পালন করতে হবে। সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি সুশাসিত ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।প্রবাসীদের অনন্য অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার প্রবাসীদের কল্যাণে অত্যন্ত আন্তরিক। প্রবাসীদের নাগরিক সুবিধা আরও সহজতর করতে ইতোমধ্যে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আমাদের প্রবাসীদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স। ফ্যাসিস্ট আমলের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বর্তমানে সেটি ৩৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে প্রবাসীদের অবদান অনস্বীকার্য। এ সময় তিনি প্রবাসীদের প্রতি অফিশিয়াল ও বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।আলোচনা সভা শেষে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত আরোগ্য এবং দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। অনুষ্ঠানে জাপানে বসবাসরত সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


 রাজনৈতিক দলগুলোকে ধৈর্য ও সহনশীল হতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

রাজনৈতিক দলগুলোকে ধৈর্য ও সহনশীল হতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, সরকার মানুষের মানবাধিকার, সুশাসন ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। জুলাইয়ের গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সব রাজনৈতিক দলকে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে।বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে যশোরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিস্টরা যে ভাষায় কথা বলত, আমরা যদি একই ভাষায় কথা বলি, তাহলে গণতন্ত্রকে হৃদয়ে ধারণ করছি—এ কথা বলা যাবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্নতা থাকতে পারে। কিন্তু দিন শেষে আমাদের লক্ষ্য একটি আধুনিক, আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা।’এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বকুলতলা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


হাসিনাকে সেদিন ভারতে পৌঁছে দেন যারা, প্রকাশ্যে এলো নতুন তথ্য

হাসিনাকে সেদিন ভারতে পৌঁছে দেন যারা, প্রকাশ্যে এলো নতুন তথ্য

গণ-অভ্যুত্থানের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত যাত্রা নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনার মধ্যে সামনে এসেছে নতুন তথ্য। তাকে দেশত্যাগে সহায়তাকারী সামরিক কর্মকর্তা, ব্যবহৃত হেলিকপ্টার ও বিমান, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং পুরো রেসকিউ মিশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে একাধিক সূত্রের বরাতে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। যদিও এসব বিষয়ে এখনো সরকার বা সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।সাবেক ও বর্তমান সামরিক সূত্রগুলোর সঙ্গে কথা বলে হাসিনার ভারত যাত্রা সম্পর্কে বিচ্ছিন্নভাবে বেশকিছু তথ্য পাওয়া যায়। তবে এ বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কারোরই আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া স্পর্শকাতর বেশকিছু তথ্য পাওয়া গেলেও যুগান্তরের পক্ষ থেকে স্বাধীনভাবে সেগুলো যাচাই করাও সম্ভব হয়নি।৫ আগস্ট সকাল ১০টা। শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে লাখো মানুষ প্রবেশ করে রাজধানীতে। একপর্যায়ে পুলিশের গুলি উপেক্ষা করে গণভবনের দিকে অগ্রসর হয় জনস্রোত। দুপুরের আগেই পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। অবস্থা বেগতিক দেখে হাসিনাকে মাত্র ৩০ মিনিট সময় বেঁধে দিয়ে দ্রুত গণভবন ত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপরই বাণিজ্যমেলার কাছাকাছি এসে নামে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার (এমআই-১৭)। সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর হাসিনা ও তার বোন রেহানাকে নিয়ে হেলিকপ্টারটি পূর্বনির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশে উড়াল দেয়।সূত্র জানায়, গণভবন থেকে হাসিনা ও তার বোনকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হেলিকপ্টারের পাইলট এবং কো-পাইলট ছিলেন যথাক্রমে এয়ার কমোডর আব্বাস ও গ্রুপ ক্যাপ্টেন রায়হান কবির। বিকাল তিনটা নাগাদ হেলিকপ্টারটি কুর্মিটোলা এয়ার বেইজে অবতরণ করে। এ সময় তেজগাঁও বিমানবন্দরে কর্তব্যরত উইং কমান্ডার কানিজ ফাতেমা সংক্ষিপ্ত বেতার বার্তায় রেসকিউ মিশনের অধীনে সামরিক হেলিকপ্টার উড্ডয়নের বিষয়টি ঢাকা ট্রাফিক কন্ট্রোলে জানান।সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, হাসিনার দেশত্যাগের পরপরই এয়ার কমোডর আব্বাসকে একটি প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানে পাঠানো হয়। সেখানে নির্ধারিত সময় শেষ হলে যথারীতি তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। পরে তাকে নিয়মিত পোস্টিং দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে এয়ার হেডকোয়ার্টার ইউনিটের অধিনায়ক হিসাবে কর্মরত। এছাড়া কো-পাইলটের দায়িত্ব পালনকারী গ্রুপ ক্যাপ্টেন রায়হান কবির বর্তমানে বাশার এয়ার বেইজের ওসি (অ্যাডমিন) হিসাবে নিযুক্ত। সংশ্লিষ্টরা জানান, হাসিনার দেশত্যাগের বিষয়টি ছিল কঠোর গোপনীয়তায় ঘেরা। বিশেষ করে তাকে গণভবন থেকে নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি মাত্র হাতেগোনা কয়েকজন অতি বিশ্বস্ত সেনা কর্মকর্তাকে জানানো হয়। মিশন বাস্তবায়নে বিমানবাহিনীর স্পেশাল ফ্লাইং ইউনিটের ডাক পড়ে। এছাড়া হাসিনা ও তার বোনকে রিসিভ করতে কুর্মিটোলা এয়ার বেইজের তৎকালীন কমান্ডার নিজেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, কুর্মিটোলা এয়ার বেইজে আগে থেকেই ইঞ্জিন চালু অবস্থায় একটি সামরিক পরিবহণ বিমান (সি-১৩০ জুলিয়েট) অপেক্ষমাণ ছিল। এ সময় বিমানের ভেতরে অবস্থান করছিলেন হাসিনার তৎকালীন নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয় মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, তার স্ত্রী শাহিন সিদ্দিকী, তাদের দুকন্যা এবং জামাতা।অবতরণের পর হেলিকপ্টার থেকে নেমে শেখ হাসিনা উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কয়েক মিনিট কথা বলেন। তিনি আন্দোলনের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় তাকে গণভবনমুখী জনস্রোত এবং অভ্যুত্থান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়া হয়। ফলে দেশের মাটিতে দাঁড়িয়েই শেখ হাসিনা তার দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি স্বৈরশাসন অবসানের খবর পেয়ে যান।তবে অন্য একটি সামরিক সূত্র বলছে, হাসিনার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের পাঠিয়ে দিলেও অজ্ঞাত কারণে তারিক সিদ্দিকী নিজে ওই বিমানে ওঠেননি। পরদিন গোপনে তিনি চট্টগ্রাম চলে যান। একপর্যায়ে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে নৌপথে দেশত্যাগ করেন। পরে ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে তারিক সিদ্দিকীকে দেশত্যাগে সহায়তার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তৎকালীন চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম সোহায়েলকে গ্রেফতার করা হয়।সূত্র জানায়, ভারতের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগের প্রস্তুতির অংশ হিসাবে বিমানবাহিনীর পরিবহণ বিমানটির ককপিটে আগে থেকেই পাইলট এবং কো-পাইলট নিজ নিজ আসনে বসা ছিলেন। পাইলটের আসনে ছিলেন এয়ার কমোডর শামীম রেজা এবং কো-পাইলটের আসনে ছিলেন উইং কমান্ডার মাহফুজ। বিমানটি ৫ আগস্ট বিকাল ৬টা ১৫ মিনিটে দিল্লির উপকণ্ঠে হিন্দন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে।তবে নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হিসাবে উড্ডয়নের সময় বিমানের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখা হয়। প্রচলিত রুট ব্যবহার না করে কিছুটা ঘুরে বিমানটি দিল্লির পথে যাত্রা করে। ফলে বাংলাদেশের সীমান্ত অতিক্রমের আগ পর্যন্ত বিমানটি রাডারে শনাক্ত হয়নি। ভারতের আকাশসীমায় প্রবেশের পর পাইলট কলকাতা বিমানবন্দরের এটিসি (এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল) টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ভারতে অবতরণের পর দেশটির নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালসহ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানান।সূত্র জানায়, শেখ হাসিনাকে নিরাপদে ভারতে পৌঁছে দেওয়ার পর ক্রু এবং নিরাপত্তাকর্মীদের নিয়ে বিমানটি পুনরায় ঢাকায় ফিরে আসে। পরে পাইলট এয়ার কমোডর শামীম রেজাকে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক কোর্সে অংশগ্রহণের জন্য ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। তবে কো-পাইলট উইং কমান্ডার মাহফুজ বর্তমানে বিমানবাহিনীর গোয়েন্দা পরিদপ্তরে কর্মরত রয়েছেন।একটি সামরিক সূত্র যুগান্তরকে জানায়, গণভবন থেকে হাসিনার রেসকিউ মিশন প্রধানত দুটি অংশে পরিচালিত হয়। প্রথম ভাগে হেলিকপ্টারে উড়িয়ে নিরাপদে কুর্মিটোলা এয়ার বেইজে স্থানান্তর। এরপর সেখান থেকে তাকে সামরিক বিমানে করে ভারতে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত রেসকিউ মিশনের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন বিমানবাহিনীর তৎকালীন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সালেহ মান্নাফি। তিনি ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের তৎকালীন সহসভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফির ছেলে।৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আবু আহমেদ মান্নাফি নিজেও সেনানিবাসে আশ্রয় নেন। এ সময় তার সঙ্গে ছোট ছেলে সিটি করপোরেশনের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর গৌরবসহ পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। পরে তাদের বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত সরকারি কোয়ার্টার চন্দ্রিকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার একটি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে তারা আত্মগোপনে ছিলেন।ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগ ও রেসকিউ মিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী এবং সাবেক সামরিক কর্মকর্তা মেজর (অব.) এম সরোয়ার হোসেন মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, আইন অনুযায়ী পদত্যাগের পরও সাবেক রাষ্ট্র এবং সরকারপ্রধান একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত এসএসএফ’র নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। ফলে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তায় নিয়োজিত এসএসএফ সদস্য এবং সামরিক কর্মকর্তারা মূলত তাদের ওপর অর্পিত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেছেন। এক্ষেত্রে তারা কোনো ধরনের বে-আইনি কিছু করেননি। তবে সংবিধানের আর্টিকেল ২১ অনুযায়ী সে সময় ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে যে কেউ গ্রেফতার করে আইনের হাতে সোপর্দ করতে পারতেন। বরং সেটাই গণ-অভ্যুত্থানের স্পিরিটের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হতো।


যেভাবে ধরা দেয় সেই ‘মাহেন্দ্রক্ষণ’

যেভাবে ধরা দেয় সেই ‘মাহেন্দ্রক্ষণ’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। ক্যালেন্ডারের পাতায় শুধু একটি তারিখ বা দিন নয়। আন্দোলনকারীদের ভাষায় ‘৩৬ জুলাই’। বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবিস্মরণীয় একটি দিন। একটি রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের সফল সমাপ্তির দিন। এদিন পতন ঘটে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার। আজকের এই দিনে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। শুধু তিনি একা নন, সাধারণ ছাত্র-জনতা প্রতিরোধের মুখে সেদিন দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান তার ছোট বোন শেখ রেহানাও। ওই দিনই দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের রূপরেখা আলোর মুখ দেখতে শুরু করে। বদলে যেতে শুরু করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসা, সংবিধান সংশোধনসহ রাষ্ট্রের মৌলিক অনেক পরিবর্তনের আনার পথ দেখিয়েছে চব্বিশের ৫ আগস্ট।ওই সময়ে দেশ ত্যাগ করে আজও ফিরতে পারেননি শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা। বর্তমানে তারা দিল্লিতে অবস্থান করছেন। জুলাই আন্দোলনে নির্বিচারে মানুষ হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলছে।দুই বছর আগে আজকের এই দিনে ছিল ৫ আগস্ট। জুলাই আন্দোলনের অন্যান্য দিনের মতোই দিনটির সকাল ছিল রক্তাক্ত ও আতঙ্কময়। কারফিউ ভেঙে জমায়েত হলে সর্বোচ্চ আইন প্রয়োগের হুঁশিয়ারি সরকারের পক্ষ থেকে আগ থেকেই ছিল। সড়কে সড়কে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁজোয়া যান নিয়ে যুদ্ধংদেহী মনোভাবেরও কমতি ছিল না। কিন্তু জীবনের মায়া ত্যাগ করেই ওইদিন সকাল থেকেই রাস্তায় নামতে শুরু করেন বিপ্লবী জনতা। তাদের টার্গেট একটাই-বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি সফল করা, স্বৈরচারের পতন ঘটানো। ওই কর্মসূচি সফল করতে ঢাকার প্রবেশপথ যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ এবং উত্তরার নগরীর প্রবেশপথ দিয়ে হাজার হাজার মানুষ ঢাকায় প্রবেশ করেন। ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টেও জড়ো হন ছাত্র-জনতা। এই কর্মসূচি পণ্ড করতে নির্বিচারে গুলিও চালানো হয়। মৃত্যুভয় উপেক্ষা করেই বেলা ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জমায়েত হতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। সাড়ে ১১টার দিকে গুলি করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। একই সময়ে যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, মোহাম্মদপুর, রামপুরা, বাড্ডায় আন্দোলনকারীদের বুলেট ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। এতে অনেকেই নিহত হন। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মুহুর্মুহু গুলির মধ্যেই রাস্তায় একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে গণভবনের দিকে এগোতে থাকেন ছাত্র-জনতা। ওই সময়ে গণভবনে অবস্থান করছিলেন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। দুপুর ১২টার দিকে গণভবনে যাওয়ার পথ থেকে সেনাসদস্যরা সরে যেতে থাকেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও কিছুটা নিষ্ক্রিয় হতে থাকেন। সেই সময়ে আইএসপিআরের বরাতে গণমাধ্যমে খবর হয়, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দুপুর ২টায় জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন। সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানানো হয়। এ খবরে অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যান, প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনা আর থাকতে পারছেন না। এতে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিভিন্ন সড়ক হয়ে লাখো মানুষ শাহবাগে জমায়েত হতে শুরু করেন। তারাও গণভবনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। নগরীর অন্যান্য স্থান থেকেও হাজার হাজার মানুষ বেরিয়ে পড়েন।ওই দিন দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে ভারতের আগরতলার উদ্দেশে যাত্রা করেন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ঠিক একই সময় তার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় এবং ব্যক্তিগত বাসভবন সুধা সদন থেকে পুলিশ, বিজিবি সদস্যরা সরে যান। তখন আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে কয়েকজন নেতাকর্মী, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দৌড়ে বের হতে দেখা যায়। ওই সময়ে দেশে ইন্টারনেট বন্ধ ছিল। এভাবেই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয় ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ।প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের বিষয়টি ওইদিন বিকাল ৪টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে কাজ পরিচালনা করব। ধৈর্য ধরেন, সময় দিন। আমরা সবাই মিলে সব সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হব। সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যের আগেই শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়া ও বিদেশ চলে যাওয়ার খবর গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত হয়। ওই খবরে সারা দেশে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সাধারণ ছাত্র-জনতা। ঢাকাসহ দেশের জেলা-উপজেলাগুলোতে বের হয় আনন্দ মিছিল। কেউ মাথায় বেঁধে লাল কাপড়, কেউ বা লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা বেঁধে এ উৎসবে শামিল হন। রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে জয়ের উচ্ছ্বাস ছিল তাদের চোখে-মুখে। ছিল পরাধীনতার শিকল ভেঙে নতুন এক স্বাধীনতা অর্জনের তৃপ্তি। এ যেন নিজ দেশে বুকভরে শ্বাস নেওয়ার এক অনাবিল আনন্দ। এ আনন্দে শরিক ছিলেন শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, দিনমজুর, রিকশাচলক, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।ওই দিনই বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসকে সাক্ষাৎকার দেন হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তার (শেখ হাসিনা) এখানেই শেষ। আমার পরিবার এবং আমি, আমাদের যথেষ্ট হয়েছে। মায়ের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তার বয়স সত্তরের ঘরে, তার এত পরিশ্রমের পর একটি ছোট্ট অংশ তার বিরুদ্ধে এমন বিক্ষোভ করল... তিনি এতে ‘খুবই হতাশ’ হয়েছেন। সজীব ওয়াজেদ জয় আরও জানান, আগ থেকেই পদত্যাগের বিষয়টি বিবেচনা করছিলেন শেখ হাসিনা। পরিবারের অনুরোধে নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে তিনি দেশত্যাগ করেছেন।এদিকে সরকারের পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়লে চুপসে যান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রাস্তা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে তারা সরে যান। ওই সময়ে রাজধানীতে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গণভবন এবং জাতীয় সংসদ ভবনে হাজার হাজার মানুষ ঢুকে পড়েন। সেখানে তারা সরকার পতনে উৎসব করেন। ভুয়া ভুয়া স্লোগানও দেন। শ্রীলংকার মতোই প্রধানমন্ত্রীর অফিস ও বেডরুমে ছবি তোলেন। নিয়ে যান বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র। এমনকি আসবাবপত্র, পুকুরের মাছ, হাঁস, খেতের ফসলও নিয়ে যান তারা। জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ-সদস্যদের চেয়ারে বসে ছবিও তোলেন। কোথাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের বাধা দেননি।বাংলাদেশে কোটা সংস্কারকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলনের সূত্রপাত, তার একটি পরিণতি দেখা যায় চব্বিশের ৫ আগস্ট। সরকারের মধ্যে শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং আন্দোলনকারীদের অনেকটা তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখার প্রবণতা ছিল। নীতিনির্ধারকদের বক্তব্যে তাদের ‘রাজাকার’ ও ‘সন্ত্রাসী’ বলেও আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। এমনকি এক সপ্তাহের ব্যবধানে শত শত মৃত্যুর পরও পুরো বিষয়টিকে শুধু বিরোধীদের ষড়যন্ত্র, এমনকি জঙ্গি হামলা হিসাবে বর্ণনা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু কোটাবিরোধী আন্দোলনেই সরকার পতনের মধ্য দিয়ে সফল গণ-অভ্যুত্থান ঘটাতে সক্ষম হয়।এরপর দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ওই সরকারের অধীনে দেশে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি একইদিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। আর সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসে জামায়াত। বর্তমানে জুলাই আন্দোলনে নির্বিচারে হত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিচার চলছে।


জুলাই জাদুঘর নির্মাণের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন সাবেক উপদেষ্টা

জুলাই জাদুঘর নির্মাণের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন সাবেক উপদেষ্টা

জুলাই জাদুঘর গড়ে তোলার কাজ ছিল আক্ষরিক অর্থেই একটি যুদ্ধের মতো বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।ফারুকী বলেন, মন্ত্রণালয়ের শত শত কাজের মধ্যে মাত্র এক বছরের মধ্যে শূন্য থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘরের কাঠামো দাঁড় করানো ছিল অত্যন্ত কঠিন একটি দায়িত্ব। এই কাজ করতে গিয়ে তার আয়ুসহ অনেক কিছু কেড়ে নিলেও শত শত শহীদ যেখানে জীবন দিয়েছেন, সেখানে এই কষ্ট তেমন কিছুই নয়।তিনি বলেন, শূন্য থেকে এ পর্যন্ত জাদুঘরটি দাঁড় করানোর পেছনে যাদের দিন-রাতের শ্রম রয়েছে তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগের চিন্তা করা হলেও তাদের মাধ্যমে কাজ শেষ করতে তিন বছরের বেশি সময় লাগবে এবং এতে বিপুল অর্থ ব্যয় হবে দেখে নিজেদের সক্ষমতা নিয়েই কাজ শুরু করা হয় বলে তিনি জানান।তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত যারা জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছেন তারা আবেগ সংবরণ করতে পারেননি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পত্রিকায় এই জাদুঘর নিয়ে ইতিবাচক পর্যালোচনা প্রকাশিত হয়েছে। টিম লিডার ও আর্টিস্টিক ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করার সময় কঠোর ভূমিকা পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার কাছে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন।মোস্তফা সরয়ার ফারুকী আরও বলেন, এই জাদুঘর সব সময়ই একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে থাকবে। জুলাই এবং গত ১৬ বছরের ঘটনাপ্রবাহ একটি বিশাল সমুদ্রের মতো, যা একবারে পুরোপুরি ধারণ করা সম্ভব নয়। তিনি জানান, ৮৩৫ জন গেজেটভুক্ত শহীদের প্রত্যেককে নিয়ে পৃথক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করতেই কয়েক বছর সময় লেগে যাবে এবং ভবিষ্যতে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উপাদান এখানে যুক্ত হবে। কেবল জুলাই আন্দোলন নয়, ভবিষ্যতে এই জাদুঘর বাংলাদেশের রাজনীতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা, সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।সবশেষে জুলাই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


জুলাই জাদুঘর গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সঙ্গে আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরবে: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই জাদুঘর গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সঙ্গে আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হবে।বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন এবং পরে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের পরিবারের প্রতি সম্মান ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম, খুন ও নির্যাতনকে স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। সেই অন্ধকার সময়ের নির্মমতা, গণআন্দোলনের ইতিহাস এবং শহিদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি সংরক্ষণে এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।তারেক রহমান বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বয়ান ইতিহাসের প্রতি মানুষের বিশ্বাস দুর্বল করে এবং ভবিষ্যতে বিভেদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই দেশের মানুষ আশা করে, এই জাদুঘর কোনো একক ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না; বরং এটি হবে জনগণের সংগ্রামের নিরপেক্ষ ইতিহাস সংরক্ষণের কেন্দ্র।তিনি আরও বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের জন্য নয়, এটি জনগণের। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের অধিকার রক্ষার আন্দোলন। জনগণ যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের ভুলে যায়নি, তেমনি জুলাইয়ের যোদ্ধাদেরও কখনো ভুলবে না।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সকল অন্যায়ের বিচার হওয়া জরুরি। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদী আমলে নিহত ও আহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সহায়তা দিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।তিনি ঘোষণা দেন, গত ১৭ বছরে যারা আন্দোলন-সংগ্রামে শহিদ হয়েছেন, তাদের নামে নিজ নিজ এলাকায় উপযুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হবে।তারেক রহমান বলেন, দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ৩১ দফার পাশাপাশি ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহিদদের কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, কেউ কেউ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারা নিজেদের অজান্তেই পলাতক স্বৈরাচারের ফিরে আসার পথ তৈরি করছে কি না, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন।এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহিদদের আত্মত্যাগ, গণআন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার নির্যাতন, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, নিদর্শন ও সংরক্ষিত তথ্য পরিদর্শন করেন। পরে তিনি ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশ নেন। 


রাণীশংকৈলে ১২৬ নারী পেলেন সেলাই মেশিন, স্বাবলম্বী হওয়ার পথে নতুন উদ্যোগ

রাণীশংকৈলে ১২৬ নারী পেলেন সেলাই মেশিন, স্বাবলম্বী হওয়ার পথে নতুন উদ্যোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ১২৬ জন নারীকে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই সহায়তা দেওয়া হয়।সোমবার (৪ আগস্ট) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম রব্বানী সরদার।এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুজিবুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী আনিছুর রহমান, থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল্লামা আল ওয়াদুদ বিন নুর আলিফ, সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরনবী, সাংগঠনিক সম্পাদক এম. আর. বকুল মজুমদার, পৌর বিএনপির সভাপতি শাজাহান আলী, সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী, উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক মুনিরা বিশ্বাস, সদস্য সচিব আনার কলি, পৌর মহিলা দলের আহ্বায়ক দিলরুবা, সাবেক চেয়ারম্যান জমিরুল ইসলামসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নারীদের হাতে কর্মসংস্থানের উপযোগী সরঞ্জাম তুলে দিলে তারা নিজ উদ্যোগে আয় করতে পারবেন। এতে পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়ার পাশাপাশি সমাজে নারীর ক্ষমতায়নও আরও শক্তিশালী হবে। সরকারি এ ধরনের উদ্যোগ নারীদের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।পরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার নির্বাচিত ১২৬ জন অসচ্ছল নারীর মধ্যে একটি করে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। উপকারভোগীরা এই সহায়তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এটিকে নিজেদের জীবিকা উন্নয়নের একটি নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছেন।


আড়াইহাজারে পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

আড়াইহাজারে পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

লাল টেলিফোনে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

লাল টেলিফোনে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী

অন্তত দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সক্রিয় হলো সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইট

অন্তত দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সক্রিয় হলো সরকারি বিভিন্ন ওয়েবসাইট

জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

 রাজনৈতিক দলগুলোকে ধৈর্য ও সহনশীল হতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

রাজনৈতিক দলগুলোকে ধৈর্য ও সহনশীল হতে হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

হাসিনাকে সেদিন ভারতে পৌঁছে দেন যারা, প্রকাশ্যে এলো নতুন তথ্য

হাসিনাকে সেদিন ভারতে পৌঁছে দেন যারা, প্রকাশ্যে এলো নতুন তথ্য

যেভাবে ধরা দেয় সেই ‘মাহেন্দ্রক্ষণ’

যেভাবে ধরা দেয় সেই ‘মাহেন্দ্রক্ষণ’

জুলাই জাদুঘর নির্মাণের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন সাবেক উপদেষ্টা

জুলাই জাদুঘর নির্মাণের স্মৃতিচারণ করে যা বললেন সাবেক উপদেষ্টা

জুলাই জাদুঘর গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সঙ্গে আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরবে: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই জাদুঘর গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সঙ্গে আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরবে: প্রধানমন্ত্রী

রাণীশংকৈলে ১২৬ নারী পেলেন সেলাই মেশিন, স্বাবলম্বী হওয়ার পথে নতুন উদ্যোগ

রাণীশংকৈলে ১২৬ নারী পেলেন সেলাই মেশিন, স্বাবলম্বী হওয়ার পথে নতুন উদ্যোগ