ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: স্বর্ণের মূর্তি ও কথিত কাঁচা কয়েনের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে স্বর্ণের সদৃশ সোনালি রঙের ছয়টি মূর্তি, পাঁচটি কথিত পুরাতন কয়েন এবং একটি পিতলের সদৃশ পুরাতন কলস। শুক্রবার (১৭ জুলাই) জেলা পুলিশের গণমাধ্যম শাখা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিয়মিত অপরাধ দমন অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাতে রানীশংকৈল উপজেলার কোচল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় জাহাঙ্গীর আলম (৩৬) ও সীমা বেগম (৩২) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, আটক ব্যক্তিদের দেখানো মতে তাদের হেফাজত থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত সামগ্রীগুলো উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে “মূল্যবান স্বর্ণের মূর্তি” ও “দামী পুরাতন কয়েন” পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করছিল। ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে আগেও একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগে মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় রানীশংকৈল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। জেলা পুলিশ জনগণকে এ ধরনের লোভনীয় প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, মূল্যবান মূর্তি, পুরাতন কয়েন বা গুপ্তধনের নামে কোনো আর্থিক লেনদেনের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। সন্দেহজনক তথ্য পেলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: স্বর্ণের মূর্তি ও কথিত কাঁচা কয়েনের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরগাঁও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে স্বর্ণের সদৃশ সোনালি রঙের ছয়টি মূর্তি, পাঁচটি কথিত পুরাতন কয়েন এবং একটি পিতলের সদৃশ পুরাতন কলস। শুক্রবার (১৭ জুলাই) জেলা পুলিশের গণমাধ্যম শাখা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিয়মিত অপরাধ দমন অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাতে রানীশংকৈল উপজেলার কোচল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় জাহাঙ্গীর আলম (৩৬) ও সীমা বেগম (৩২) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, আটক ব্যক্তিদের দেখানো মতে তাদের হেফাজত থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত সামগ্রীগুলো উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে “মূল্যবান স্বর্ণের মূর্তি” ও “দামী পুরাতন কয়েন” পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করছিল। ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে আগেও একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগে মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় রানীশংকৈল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। জেলা পুলিশ জনগণকে এ ধরনের লোভনীয় প্রলোভনে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, মূল্যবান মূর্তি, পুরাতন কয়েন বা গুপ্তধনের নামে কোনো আর্থিক লেনদেনের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। সন্দেহজনক তথ্য পেলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন