বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, সরকার মানুষের মানবাধিকার, সুশাসন ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। জুলাইয়ের গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সব রাজনৈতিক দলকে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে যশোরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিস্টরা যে ভাষায় কথা বলত, আমরা যদি একই ভাষায় কথা বলি, তাহলে গণতন্ত্রকে হৃদয়ে ধারণ করছি—এ কথা বলা যাবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্নতা থাকতে পারে। কিন্তু দিন শেষে আমাদের লক্ষ্য একটি আধুনিক, আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা।’
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বকুলতলা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, সরকার মানুষের মানবাধিকার, সুশাসন ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। জুলাইয়ের গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সব রাজনৈতিক দলকে ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে যশোরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিস্টরা যে ভাষায় কথা বলত, আমরা যদি একই ভাষায় কথা বলি, তাহলে গণতন্ত্রকে হৃদয়ে ধারণ করছি—এ কথা বলা যাবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্নতা থাকতে পারে। কিন্তু দিন শেষে আমাদের লক্ষ্য একটি আধুনিক, আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা।’
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বকুলতলা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন