সময় বেলা

টেকনোলজি

ইউরোপে বড় শাস্তির মুখে গুগল

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল বাজার আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে টেক জায়ান্ট গুগল-এর বিরুদ্ধে ইতিহাসের অন্যতম বড় জরিমানার প্রস্তুতি চলছে। জার্মান দৈনিক হ্যান্ডেলসব্লাটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরিমানার পরিমাণ কয়েকশ কোটি ইউরো ছাড়িয়ে যেতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন। ঘোষণা আসতে পারে আগামী গ্রীষ্মকালীন বিরতির মাঝেই। আরও পড়ুন : নাসিরনগরে জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী ঘিরে বিএনপির মতবিনিময় সভাগুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ইউরোপের ডিজিটাল বাজার আইন যথাযথভাবে মানেনি। এ আইনের উদ্দেশ্য বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বাজার দখল কমিয়ে প্রতিযোগিতার সুযোগ বাড়ানো।আরও পড়ুন : ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজটইউরোপীয় কমিশনের তদন্তে উঠে এসেছে, গুগল নিজেদের অনুসন্ধানসেবায় নিজস্ব বিভিন্ন সেবাকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। পাশাপাশি তাদের অ্যাপসের বাজারে নির্মাতাদের বিকল্প মাধ্যমে ব্যবহারকারী পাঠানোর পথও সীমিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের মার্চে তদন্ত শুরু করে ইউরোপীয় কমিশন। এক বছর পর প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, গুগলের কার্যক্রম আইনটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।কমিশনের কর্মকর্তা তেরেসা রিবেরা বলেন, তাদের প্রধান লক্ষ্য আইন মানার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব না হলেই কঠোর ব্যবস্থার পথে হাঁটে কমিশন।তবে কমিশনের দাবি, এখন পর্যন্ত গুগল যে সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছে তা সন্তোষজনক নয়। চলতি মাসে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সময় দেওয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখা যায়নি। শেষ পর্যন্ত জরিমানা হলে সেটিই হবে এ আইনের অধীনে সবচেয়ে বড় শাস্তি।অন্যদিকে গুগলের দাবি, ইউরোপীয় কমিশনের নির্দেশনা মেনে সেবায় যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তাতে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, এসব পরিবর্তনের ফলে ইউরোপের ব্যবহারকারীরা আগের মতো মানসম্মত সেবা পাচ্ছেন না।আরও পড়ুন: ভক্তের অদ্ভুত আচরণে বিব্রত আনুশকা শঙ্করএর আগেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আইনের মামলায় গুগলকে একাধিকবার তদন্ত ও জরিমানার মুখে পড়তে হয়েছে। অনুসন্ধানসেবা, বিজ্ঞাপন ব্যবসা, স্মার্টফোন–সংক্রান্ত নীতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সেবাকে ঘিরেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

ইউরোপে বড় শাস্তির মুখে গুগল