ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মাদকবিরোধী অভিযানে দুই পিস ইয়াবাসহ মো. ফয়সাল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর লেহেম্বা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উমরাডাঙ্গী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ফয়সালের কাছ থেকে দুই পিস ইয়াবা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা মাদক ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটকের পর ফয়সালের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মজিবুর রহমান।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৯(১)(গ) অনুযায়ী মাদকদ্রব্য সেবন নিষিদ্ধ। এ বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে আইনের ধারা ৩৬(১)-এর সারণির ১৬ নম্বর ক্রমে তিন মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। একই আইনের ধারা ৫৭ অনুযায়ী নির্ধারিত মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারযোগ্য।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতাও কামনা করেছে প্রশাসন।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মাদকবিরোধী অভিযানে দুই পিস ইয়াবাসহ মো. ফয়সাল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ৪ নম্বর লেহেম্বা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উমরাডাঙ্গী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ফয়সালের কাছ থেকে দুই পিস ইয়াবা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা মাদক ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটকের পর ফয়সালের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মজিবুর রহমান।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৯(১)(গ) অনুযায়ী মাদকদ্রব্য সেবন নিষিদ্ধ। এ বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে আইনের ধারা ৩৬(১)-এর সারণির ১৬ নম্বর ক্রমে তিন মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। একই আইনের ধারা ৫৭ অনুযায়ী নির্ধারিত মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারযোগ্য।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতাও কামনা করেছে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন