জামিনে মুক্তি পাওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ১ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ নাজির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বর্তমানে তিনি রাণীশংকৈল থানা হেফাজতে রয়েছেন।
আটক নাজির হোসেন উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি। মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট মাদকসহ নাজির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছিল হরিপুর থানা পুলিশ। ওই অভিযানে তার কাছ থেকে ১৪৫ পিস ইয়াবা, একটি মোটরসাইকেল ও নগদ ১০ লাখ টাকা জব্দ করা হয়। ওই সময় তার স্ত্রীকেও আটক করা হয়েছিল। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন।
পুলিশের ওই মামলায় জামিনে বের হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই এবার বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ফের আটক হলেন নাজির।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, এর আগেও মাদক সংক্রান্ত ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। তার বারবার আটকের ঘটনায় এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে মাদক মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় দ্রুত ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামিনে মুক্তি পাওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ১ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ নাজির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বর্তমানে তিনি রাণীশংকৈল থানা হেফাজতে রয়েছেন।
আটক নাজির হোসেন উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি। মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট মাদকসহ নাজির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছিল হরিপুর থানা পুলিশ। ওই অভিযানে তার কাছ থেকে ১৪৫ পিস ইয়াবা, একটি মোটরসাইকেল ও নগদ ১০ লাখ টাকা জব্দ করা হয়। ওই সময় তার স্ত্রীকেও আটক করা হয়েছিল। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন।
পুলিশের ওই মামলায় জামিনে বের হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই এবার বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ফের আটক হলেন নাজির।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, এর আগেও মাদক সংক্রান্ত ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। তার বারবার আটকের ঘটনায় এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে এ ধরনের কর্মকাণ্ড কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে মাদক মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় দ্রুত ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন