শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের সকল শিক্ষক ও শিক্ষাগুরুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোঃ শাহজাহান বাশার। তিনি বলেছেন, শিক্ষক শুধু একটি পেশার নাম নয়; একজন শিক্ষক একটি প্রজন্মের স্বপ্ন, জ্ঞান, নৈতিকতা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অন্যতম কারিগর। শিক্ষকের দেওয়া শিক্ষা ও আদর্শ একজন মানুষের জীবনে দীর্ঘদিন পথ দেখায়।
শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বার্তায় সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, “শিক্ষক হলেন পিতার সমতুল্য। বাবা-মায়ের পর একজন মানুষের জীবনে শিক্ষকের অবদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক আমাদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দেন না, বরং কীভাবে মানুষ হতে হয়, কীভাবে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে হয় এবং জীবনের প্রতিকূলতা মোকাবিলা করতে হয়—সেই শিক্ষাও দিয়ে থাকেন।”
তিনি বলেন, আজ আমরা যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি, তার পেছনে পরিবারের পাশাপাশি শিক্ষকদের অবদানও গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, স্নেহ, ভালোবাসা, শাসন ও দিকনির্দেশনা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, “শিক্ষকদের আদর, স্নেহ ও ভালোবাসা আমাদের শিক্ষাজীবনের অমূল্য স্মৃতি। তাঁদের শাসন, বকাঝকা কিংবা কখনো বেত্রাঘাতও আমাদের শিক্ষা জীবনের একটি স্মৃতি হয়ে থাকবে। তখন হয়তো অনেক কিছু বুঝতে পারিনি, কিন্তু সময়ের সঙ্গে উপলব্ধি করেছি—শিক্ষকের সেই শাসনের পেছনেও ছিল আমাদের ভালো করার প্রত্যাশা এবং সঠিক পথে পরিচালিত করার আন্তরিক চেষ্টা।”
তিনি আরও বলেন, জীবনের ব্যস্ততা ও সময়ের পরিবর্তনে অনেক কিছুই হয়তো ভুলে যাওয়া সম্ভব, কিন্তু শৈশব-কৈশোরের শিক্ষকদের স্মৃতি কখনো সহজে মুছে যায় না। তাঁদের বলা কথা, দেওয়া উপদেশ, শাসন ও উৎসাহ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন করে অনুপ্রেরণা দেয়।
শাহজাহান বাশার বলেন, “আমার শৈশবের অনেক শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু আজ আর পৃথিবীতে নেই। তাঁদের কথা মনে পড়লে আজও হৃদয় ভারী হয়ে আসে। যাঁরা আমাদের জ্ঞান দিয়েছেন, মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন এবং জীবনের পথে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছেন, সেই সকল প্রয়াত শিক্ষকের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। মহান আল্লাহ যেন তাঁদের সকলকে ক্ষমা করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত দান করেন।”
একই সঙ্গে তিনি জীবিত সকল শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাঁর জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে যাঁরা শিক্ষা, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং যাঁদের কাছ থেকে এখনো জ্ঞান ও শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে, তাঁদের প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ। তাঁদের স্নেহ, ভালোবাসা ও দোয়া তাঁর পথচলার অন্যতম শক্তি ও অনুপ্রেরণা।
তিনি বলেন, “আমি যেসব শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মহোদয়ের কাছ থেকে শিক্ষা পেয়েছি এবং বর্তমানে যাঁদের কাছ থেকে এখনো অধ্যয়ন ও জ্ঞানার্জনের সুযোগ পাচ্ছি, তাঁদের প্রতি আমার অন্তরের গভীর থেকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইল। তাঁদের ঋণ কোনোদিন শোধ করার মতো নয়। একজন শিক্ষার্থী যত বড়ই হোক না কেন, তার জীবনের পেছনে কোনো না কোনো শিক্ষকের অবদান থাকবেই।”
শিক্ষক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, একটি সুন্দর, সুশিক্ষিত, নৈতিক ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে সেই জাতির শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের ওপর। তাই শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা শুধু শিক্ষক দিবসের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। বছরের প্রতিটি দিন তাঁদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। কারণ একজন শিক্ষকের হাতে গড়ে ওঠে একটি প্রজন্ম, আর সেই প্রজন্মই ভবিষ্যতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, মাদ্রাসা, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ সকল শিক্ষাগুরুকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, “শিক্ষকরা আমাদের জীবনের আলোর পথপ্রদর্শক। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা হয়তো আমাদের জানা নেই, তবে হৃদয়ের গভীর থেকে তাঁদের জন্য সবসময় শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা থাকবে।”
সবশেষে তিনি দেশের সকল জীবিত শিক্ষকের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন এবং প্রয়াত সকল শিক্ষকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার এবং তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও আদর্শ জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের সকল শিক্ষক ও শিক্ষাগুরুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোঃ শাহজাহান বাশার। তিনি বলেছেন, শিক্ষক শুধু একটি পেশার নাম নয়; একজন শিক্ষক একটি প্রজন্মের স্বপ্ন, জ্ঞান, নৈতিকতা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অন্যতম কারিগর। শিক্ষকের দেওয়া শিক্ষা ও আদর্শ একজন মানুষের জীবনে দীর্ঘদিন পথ দেখায়।
শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বার্তায় সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, “শিক্ষক হলেন পিতার সমতুল্য। বাবা-মায়ের পর একজন মানুষের জীবনে শিক্ষকের অবদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষক আমাদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দেন না, বরং কীভাবে মানুষ হতে হয়, কীভাবে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে হয় এবং জীবনের প্রতিকূলতা মোকাবিলা করতে হয়—সেই শিক্ষাও দিয়ে থাকেন।”
তিনি বলেন, আজ আমরা যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি, তার পেছনে পরিবারের পাশাপাশি শিক্ষকদের অবদানও গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, স্নেহ, ভালোবাসা, শাসন ও দিকনির্দেশনা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, “শিক্ষকদের আদর, স্নেহ ও ভালোবাসা আমাদের শিক্ষাজীবনের অমূল্য স্মৃতি। তাঁদের শাসন, বকাঝকা কিংবা কখনো বেত্রাঘাতও আমাদের শিক্ষা জীবনের একটি স্মৃতি হয়ে থাকবে। তখন হয়তো অনেক কিছু বুঝতে পারিনি, কিন্তু সময়ের সঙ্গে উপলব্ধি করেছি—শিক্ষকের সেই শাসনের পেছনেও ছিল আমাদের ভালো করার প্রত্যাশা এবং সঠিক পথে পরিচালিত করার আন্তরিক চেষ্টা।”
তিনি আরও বলেন, জীবনের ব্যস্ততা ও সময়ের পরিবর্তনে অনেক কিছুই হয়তো ভুলে যাওয়া সম্ভব, কিন্তু শৈশব-কৈশোরের শিক্ষকদের স্মৃতি কখনো সহজে মুছে যায় না। তাঁদের বলা কথা, দেওয়া উপদেশ, শাসন ও উৎসাহ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন করে অনুপ্রেরণা দেয়।
শাহজাহান বাশার বলেন, “আমার শৈশবের অনেক শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু আজ আর পৃথিবীতে নেই। তাঁদের কথা মনে পড়লে আজও হৃদয় ভারী হয়ে আসে। যাঁরা আমাদের জ্ঞান দিয়েছেন, মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন এবং জীবনের পথে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছেন, সেই সকল প্রয়াত শিক্ষকের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। মহান আল্লাহ যেন তাঁদের সকলকে ক্ষমা করেন এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত দান করেন।”
একই সঙ্গে তিনি জীবিত সকল শিক্ষকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাঁর জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে যাঁরা শিক্ষা, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং যাঁদের কাছ থেকে এখনো জ্ঞান ও শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে, তাঁদের প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ। তাঁদের স্নেহ, ভালোবাসা ও দোয়া তাঁর পথচলার অন্যতম শক্তি ও অনুপ্রেরণা।
তিনি বলেন, “আমি যেসব শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মহোদয়ের কাছ থেকে শিক্ষা পেয়েছি এবং বর্তমানে যাঁদের কাছ থেকে এখনো অধ্যয়ন ও জ্ঞানার্জনের সুযোগ পাচ্ছি, তাঁদের প্রতি আমার অন্তরের গভীর থেকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইল। তাঁদের ঋণ কোনোদিন শোধ করার মতো নয়। একজন শিক্ষার্থী যত বড়ই হোক না কেন, তার জীবনের পেছনে কোনো না কোনো শিক্ষকের অবদান থাকবেই।”
শিক্ষক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সাংবাদিক ও কলামিস্ট মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, একটি সুন্দর, সুশিক্ষিত, নৈতিক ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে সেই জাতির শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষকদের ওপর। তাই শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা শুধু শিক্ষক দিবসের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। বছরের প্রতিটি দিন তাঁদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। কারণ একজন শিক্ষকের হাতে গড়ে ওঠে একটি প্রজন্ম, আর সেই প্রজন্মই ভবিষ্যতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, মাদ্রাসা, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ সকল শিক্ষাগুরুকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে মোঃ শাহজাহান বাশার বলেন, “শিক্ষকরা আমাদের জীবনের আলোর পথপ্রদর্শক। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা হয়তো আমাদের জানা নেই, তবে হৃদয়ের গভীর থেকে তাঁদের জন্য সবসময় শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা থাকবে।”
সবশেষে তিনি দেশের সকল জীবিত শিক্ষকের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন এবং প্রয়াত সকল শিক্ষকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার এবং তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও আদর্শ জীবনে ধারণ করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন