ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় একটি টাটা শোরুমের ভেতর থেকে আব্দুর রহমান (৫৫) নামে এক নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কাছে আরডিএস কার্যালয় সংলগ্ন ওই শোরুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি কুড়াল ও রশি উদ্ধারের ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।
নিহত আব্দুর রহমান ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই শোরুমে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আব্দুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে স্বজনরা শোরুমের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে আব্দুর রহমানকে পড়ে থাকতে দেখে তারা স্থানীয়দের খবর দেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি কুড়াল ও রশিও আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে আব্দুর রহমানের মৃত্যু হত্যাকাণ্ড, নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে শোরুমের ভেতর থেকে নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে জগন্নাথপুরসহ আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আব্দুর রহমানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় একটি টাটা শোরুমের ভেতর থেকে আব্দুর রহমান (৫৫) নামে এক নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কাছে আরডিএস কার্যালয় সংলগ্ন ওই শোরুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি কুড়াল ও রশি উদ্ধারের ঘটনায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।
নিহত আব্দুর রহমান ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই শোরুমে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আব্দুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে স্বজনরা শোরুমের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে আব্দুর রহমানকে পড়ে থাকতে দেখে তারা স্থানীয়দের খবর দেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি কুড়াল ও রশিও আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে আব্দুর রহমানের মৃত্যু হত্যাকাণ্ড, নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে শোরুমের ভেতর থেকে নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে জগন্নাথপুরসহ আশপাশের এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আব্দুর রহমানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন