ব্রাজিল দারুণ প্রত্যাবর্তনের দৃষ্টান্ত তৈরি করল। প্রথমার্ধে জাপানের কাছে গোল খায় তারা। প্রায় এক ঘণ্টা পিছিয়ে থাকার পর গোল শোধ দেয় সেলেসাও। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াচ্ছিল, যখন ইনজুরি টাইম শেষ হওয়ার আর এক মিনিটও বাকি নেই। তখনই গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি চমকে দিলেন। তার ৯৬তম মিনিটের গোলে ২-১ ব্যবধানে শেষ ৩২ এর ম্যাচ জিতল ব্রাজিল, পেল শেষ ষোলোর টিকিট।
প্রথমার্ধে গোল খাওয়া ব্রাজিল ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেছে। দলে পরিবর্তন এনেছে তারা। পাকেতার বদলে এন্দ্রিককে মাঠে নামানো হয়েছে। বিরতির পর ব্রাজিল ছন্দে ফেরে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট হওয়ার পর ৫৬ মিনিটে কাসেমিরো গোল শোধ দেন।
এর আগে হাইড্রেশন ব্রেকের পরপর জাপান ব্রাজিলকে গোল দেয়। মাঝমাঠে দানিলোর কাছ থেকে লুজ বল পান সানো। তিনি কাসেমিরোকে গতিতে পরাস্ত করে এগিয়ে যান এবং বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে জড়ান। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটটি নিখুঁতভাবে পোস্টের নিচের বাম কোণ দিয়ে ভেতরে ঢুকে যায়। ২৯ মিনিটে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় জাপান।
অথচ হাইড্রেশন ব্রেকের আগে ব্রাজিল বেশ আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে। তারা পানি পানের বিরতির আগে প্রায় ৭৫ শতাংশ বল দখলে রেখে চারটি শট নিলেও গোল পায়নি। জাপানের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও স্কোরে কোনো ব্যবধান তৈরি করতে পারেনি।
৩ মিনিটে ব্রাজিল আক্রমণের সুযোগ পায়। বক্সের প্রান্ত থেকে গিমারায়েসের শট
জাপানকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
ব্রাজিল দারুণ প্রত্যাবর্তনের দৃষ্টান্ত তৈরি করল। প্রথমার্ধে জাপানের কাছে গোল খায় তারা। প্রায় এক ঘণ্টা পিছিয়ে থাকার পর গোল শোধ দেয় সেলেসাও। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াচ্ছিল, যখন ইনজুরি টাইম শেষ হওয়ার আর এক মিনিটও বাকি নেই। তখনই গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি চমকে দিলেন। তার ৯৬তম মিনিটের গোলে ২-১ ব্যবধানে শেষ ৩২ এর ম্যাচ জিতল ব্রাজিল, পেল শেষ ষোলোর টিকিট।
প্রথমার্ধে গোল খাওয়া ব্রাজিল ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেছে। দলে পরিবর্তন এনেছে তারা। পাকেতার বদলে এন্দ্রিককে মাঠে নামানো হয়েছে। বিরতির পর ব্রাজিল ছন্দে ফেরে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট হওয়ার পর ৫৬ মিনিটে কাসেমিরো গোল শোধ দেন।
এর আগে হাইড্রেশন ব্রেকের পরপর জাপান ব্রাজিলকে গোল দেয়। মাঝমাঠে দানিলোর কাছ থেকে লুজ বল পান সানো। তিনি কাসেমিরোকে গতিতে পরাস্ত করে এগিয়ে যান এবং বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে জড়ান। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটটি নিখুঁতভাবে পোস্টের নিচের বাম কোণ দিয়ে ভেতরে ঢুকে যায়। ২৯ মিনিটে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় জাপান।
অথচ হাইড্রেশন ব্রেকের আগে ব্রাজিল বেশ আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে। তারা পানি পানের বিরতির আগে প্রায় ৭৫ শতাংশ বল দখলে রেখে চারটি শট নিলেও গোল পায়নি। জাপানের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও স্কোরে কোনো ব্যবধান তৈরি করতে পারেনি।
৩ মিনিটে ব্রাজিল আক্রমণের সুযোগ পায়। বক্সের প্রান্ত থেকে গিমারায়েসের শট
জাপানকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

আপনার মতামত লিখুন