মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক ও মাইক্রোবাস চালকদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়া এ সংঘর্ষে ৫ জন সংবাদকর্মীসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শহরের হবিগঞ্জ রোড এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মাইক্রোবাসের মধ্যে সামান্য ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে শহরের কয়েকটি এলাকায়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন আমজাদ হোসেন বাচ্চু (৪৯), ইসমাইল মাহমুদ (৫৭), এহসানুল হক (৩৪), উজ্জ্বল কুমার দাশ (৪৪), নূর মোহাম্মদ সাগর (৩৩), মো. আলামিন (৩০), রাব্বি (২২), আউয়ুব আলী (৪০), বিশাল (২২), শওকত (৪৪), রাকিব (১৯), বিল্লাল মিয়া (৩২), চয়ন মিয়া (৩৮) ও আমির মিয়া (২৪)। বাকি দুজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
গুরুতর আহতদের মধ্যে আমজাদ হোসেন বাচ্চু, বিশাল, আউয়ুব আলী, রাব্বি ও শওকতকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও একজনের নাম জানা যায়নি।
সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত সাংবাদিকরা হলেন আমজাদ হোসেন বাচ্চু, ইসমাইল মাহমুদ, এহসান বিন মুজাহিদ, এসকে দাশ সুমন, নূর মোহাম্মদ সাগর ও মো. আলামিন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, ‘আহত ১৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের অধিকাংশের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
এদিকে জিয়াউর রহমান বলেন, ‘যারা এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহতদের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক ও মাইক্রোবাস চালকদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুর থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়া এ সংঘর্ষে ৫ জন সংবাদকর্মীসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শহরের হবিগঞ্জ রোড এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মাইক্রোবাসের মধ্যে সামান্য ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে শহরের কয়েকটি এলাকায়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন আমজাদ হোসেন বাচ্চু (৪৯), ইসমাইল মাহমুদ (৫৭), এহসানুল হক (৩৪), উজ্জ্বল কুমার দাশ (৪৪), নূর মোহাম্মদ সাগর (৩৩), মো. আলামিন (৩০), রাব্বি (২২), আউয়ুব আলী (৪০), বিশাল (২২), শওকত (৪৪), রাকিব (১৯), বিল্লাল মিয়া (৩২), চয়ন মিয়া (৩৮) ও আমির মিয়া (২৪)। বাকি দুজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
গুরুতর আহতদের মধ্যে আমজাদ হোসেন বাচ্চু, বিশাল, আউয়ুব আলী, রাব্বি ও শওকতকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও একজনের নাম জানা যায়নি।
সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত সাংবাদিকরা হলেন আমজাদ হোসেন বাচ্চু, ইসমাইল মাহমুদ, এহসান বিন মুজাহিদ, এসকে দাশ সুমন, নূর মোহাম্মদ সাগর ও মো. আলামিন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, ‘আহত ১৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের অধিকাংশের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
এদিকে জিয়াউর রহমান বলেন, ‘যারা এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহতদের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন