মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন সহ্য করে দেশের স্বাধীনতার জন্য অবদান রাখা ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা খতিব উদ্দিন আর নেই। মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের সিডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর মরদেহে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রীয় এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান জাহিদ, উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের প্রতিনিধিরা এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
গার্ড অব অনার শেষে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁর কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়। স্বাধীনতাযুদ্ধে নির্যাতন সহ্য করা এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সমবেত হন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খতিব উদ্দিন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, নাতি-নাতনি এবং শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের হাতে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তিনি। দেশের স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামে তাঁর আত্মত্যাগ ও নির্যাতন সহ্য করার ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর মৃত্যুতে রাণীশংকৈল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, স্থানীয় সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বলেন, খতিব উদ্দিনের মতো যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন বীর সন্তানকে হারাল।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতন সহ্য করে দেশের স্বাধীনতার জন্য অবদান রাখা ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা খতিব উদ্দিন আর নেই। মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের সিডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর মরদেহে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রীয় এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান জাহিদ, উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের প্রতিনিধিরা এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
গার্ড অব অনার শেষে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁর কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়। স্বাধীনতাযুদ্ধে নির্যাতন সহ্য করা এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সমবেত হন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খতিব উদ্দিন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, নাতি-নাতনি এবং শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের হাতে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তিনি। দেশের স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামে তাঁর আত্মত্যাগ ও নির্যাতন সহ্য করার ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর মৃত্যুতে রাণীশংকৈল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, স্থানীয় সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বলেন, খতিব উদ্দিনের মতো যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন বীর সন্তানকে হারাল।

আপনার মতামত লিখুন