পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন)-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
বিকেএমইএর ঢাকা কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং এঅওঘ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকার। অনুষ্ঠানে বিকেএমইএর পরিচালক মো. মনিরুজ্জামানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা অনুযায়ী, পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের জন্য পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবারের সুযোগ নিশ্চিত করা, পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যৌথভাবে কাজ করবে এঅওঘ ও বিকেএমইএ। পাশাপাশি শ্রমিকদের জন্য পুষ্টিবান্ধব কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উন্নয়ন শুধু তাদের ব্যক্তিগত কল্যাণের জন্য নয়, পোশাকশিল্পের সামগ্রিক উৎপাদন ব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা বাড়ানো, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি কমানো এবং দক্ষ শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি শিল্পখাতে টেকসই উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন)-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।
বিকেএমইএর ঢাকা কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং এঅওঘ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকার। অনুষ্ঠানে বিকেএমইএর পরিচালক মো. মনিরুজ্জামানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সমঝোতা অনুযায়ী, পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের জন্য পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবারের সুযোগ নিশ্চিত করা, পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যৌথভাবে কাজ করবে এঅওঘ ও বিকেএমইএ। পাশাপাশি শ্রমিকদের জন্য পুষ্টিবান্ধব কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উন্নয়ন শুধু তাদের ব্যক্তিগত কল্যাণের জন্য নয়, পোশাকশিল্পের সামগ্রিক উৎপাদন ব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা বাড়ানো, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি কমানো এবং দক্ষ শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি শিল্পখাতে টেকসই উৎপাদনশীলতা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

আপনার মতামত লিখুন