সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং মানবতার পক্ষে এক নিরন্তর দায়িত্ববোধের নাম। সমাজের বাস্তবতা, মানুষের কান্না, অন্যায়ের নির্মম চিত্র এবং সত্য প্রকাশের অঙ্গীকার থেকেই সাংবাদিকতার পথচলা। আর সেই পথচলাকে নিজের জীবনের অন্যতম আদর্শ হিসেবে ধারণ করে এগিয়ে চলেছেন সাংবাদিক মোঃ আবদুল্লাহ।
তিনি মনে করেন, সাংবাদিকতা কেবল জীবিকা অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি একটি প্রতিশ্রুতি, একটি নৈতিক দায়িত্ব এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব এক যুদ্ধ।
সাংবাদিক মোঃ আবদুল্লাহ বলেন,
“আমি সাংবাদিকতাকে হৃদয়ে ধারণ করি। এটি শুধু আমার পেশা নয়, এটি আমার সাধনা। মানুষের কথা বলা, সত্য তুলে ধরা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াই আমার সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য।”
তিনি জানান, সাংবাদিকতার পথ কখনো সহজ নয়। একজন সংবাদকর্মীকে প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতা, চাপ, হুমকি এবং মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তারপরও সত্যের পথ থেকে সরে আসা একজন প্রকৃত সাংবাদিকের কাজ হতে পারে না। কারণ একটি সত্য সংবাদ অনেক সময় অসংখ্য মানুষের ন্যায়বিচারের পথ খুলে দেয়।
তার ভাষায়, সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ সাংবাদিকদের হয়। আর সেই বাস্তবতাই একজন সংবাদকর্মীকে আরও দায়িত্বশীল করে তোলে। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন সাংবাদিক যদি মানুষের পাশে না দাঁড়ান, তাহলে সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়ে যায়।
মোঃ আবদুল্লাহ আরও বলেন,
“অনেক সময় সত্য লিখতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝি, সমালোচনা কিংবা চাপের মুখে পড়তে হয়। কিন্তু একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার বিবেক। আমি সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকার চেষ্টা করি। কারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করাই একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় পরিচয়।”
বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তারের কারণে বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই একজন সংবাদকর্মীর দায়িত্ব শুধু দ্রুত সংবাদ প্রকাশ করা নয়, বরং সত্যতা যাচাই করে নির্ভুল তথ্য মানুষের সামনে তুলে ধরা।
তার মতে, সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো মানুষের আস্থা অর্জন করা। কোনো অসহায় মানুষ যখন নিজের কষ্টের কথা একজন সাংবাদিককে বিশ্বাস করে বলতে পারেন, তখন সেটি কেবল একটি সংবাদ থাকে না—সেটি হয়ে ওঠে মানবতার দায়বদ্ধতা।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন,
“আমার কলম কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না। যত বাধাই আসুক, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আমার অবস্থান সবসময় দৃঢ় থাকবে। কারণ আমি বিশ্বাস করি, একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার সততা ও সাহস।”
সচেতন মহলের মতে, সাংবাদিক মোঃ আবদুল্লাহর এই বক্তব্য সামাজিক সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। বর্তমান সময়ে সমাজে সত্যনিষ্ঠ, সাহসী ও মানবিক সাংবাদিকতার প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। আর এমন প্রত্যয়ী মনোভাবই একজন সাংবাদিককে মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত করে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়—এটি সত্য, ন্যায় এবং মানবতার পক্ষে এক নিরন্তর দায়িত্ববোধের নাম। সমাজের বাস্তবতা, মানুষের কান্না, অন্যায়ের নির্মম চিত্র এবং সত্য প্রকাশের অঙ্গীকার থেকেই সাংবাদিকতার পথচলা। আর সেই পথচলাকে নিজের জীবনের অন্যতম আদর্শ হিসেবে ধারণ করে এগিয়ে চলেছেন সাংবাদিক মোঃ আবদুল্লাহ।
তিনি মনে করেন, সাংবাদিকতা কেবল জীবিকা অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি একটি প্রতিশ্রুতি, একটি নৈতিক দায়িত্ব এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব এক যুদ্ধ।
সাংবাদিক মোঃ আবদুল্লাহ বলেন,
“আমি সাংবাদিকতাকে হৃদয়ে ধারণ করি। এটি শুধু আমার পেশা নয়, এটি আমার সাধনা। মানুষের কথা বলা, সত্য তুলে ধরা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াই আমার সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য।”
তিনি জানান, সাংবাদিকতার পথ কখনো সহজ নয়। একজন সংবাদকর্মীকে প্রতিনিয়ত নানা প্রতিকূলতা, চাপ, হুমকি এবং মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তারপরও সত্যের পথ থেকে সরে আসা একজন প্রকৃত সাংবাদিকের কাজ হতে পারে না। কারণ একটি সত্য সংবাদ অনেক সময় অসংখ্য মানুষের ন্যায়বিচারের পথ খুলে দেয়।
তার ভাষায়, সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ সাংবাদিকদের হয়। আর সেই বাস্তবতাই একজন সংবাদকর্মীকে আরও দায়িত্বশীল করে তোলে। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন সাংবাদিক যদি মানুষের পাশে না দাঁড়ান, তাহলে সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়ে যায়।
মোঃ আবদুল্লাহ আরও বলেন,
“অনেক সময় সত্য লিখতে গিয়ে ভুল বোঝাবুঝি, সমালোচনা কিংবা চাপের মুখে পড়তে হয়। কিন্তু একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার বিবেক। আমি সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকার চেষ্টা করি। কারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করাই একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় পরিচয়।”
বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তারের কারণে বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই একজন সংবাদকর্মীর দায়িত্ব শুধু দ্রুত সংবাদ প্রকাশ করা নয়, বরং সত্যতা যাচাই করে নির্ভুল তথ্য মানুষের সামনে তুলে ধরা।
তার মতে, সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো মানুষের আস্থা অর্জন করা। কোনো অসহায় মানুষ যখন নিজের কষ্টের কথা একজন সাংবাদিককে বিশ্বাস করে বলতে পারেন, তখন সেটি কেবল একটি সংবাদ থাকে না—সেটি হয়ে ওঠে মানবতার দায়বদ্ধতা।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন,
“আমার কলম কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না। যত বাধাই আসুক, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে আমার অবস্থান সবসময় দৃঢ় থাকবে। কারণ আমি বিশ্বাস করি, একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার সততা ও সাহস।”
সচেতন মহলের মতে, সাংবাদিক মোঃ আবদুল্লাহর এই বক্তব্য সামাজিক সচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। বর্তমান সময়ে সমাজে সত্যনিষ্ঠ, সাহসী ও মানবিক সাংবাদিকতার প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। আর এমন প্রত্যয়ী মনোভাবই একজন সাংবাদিককে মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত করে।

আপনার মতামত লিখুন