বন্দর প্রতিনিধি: বন্দর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও প্রবীণ ফটোসাংবাদিক আমির হোসেনকে দেখতে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ছুটে গেছেন বন্দর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি হাসপাতালে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের শারীরিক ও সামগ্রিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় যুবদল নেতা হুমায়ুন কবির বলেন, আমির হোসেন ভাই আমাদের বন্দরের একজন প্রবীণ ও গুণী সংবাদকর্মী। আজ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি এবং এই কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকার চেষ্টা করছি। সমাজের বিত্তবান ও রাজনৈতিক নেতাদেরও উচিত তাঁর মতো প্রবীণ সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানো।
উল্লেখ্য, প্রবীণ সংবাদকর্মী আমির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ও মারাত্মক শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। বর্তমানে টাইফয়েড জ্বর, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসে কফ এবং হাঁটুর হাড় ক্ষয়জনিত ব্যথায় তিনি শয্যাশায়ী। এছাড়া টাইফয়েডের তীব্র প্রভাবে তাঁর শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারিয়ে গেছে।
হাসপাতালে খোঁজখবর নেওয়ার সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা সজিব হোসেন, মো. শুভ, রহিম মিয়াসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
বন্দর প্রতিনিধি: বন্দর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও প্রবীণ ফটোসাংবাদিক আমির হোসেনকে দেখতে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ছুটে গেছেন বন্দর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি হাসপাতালে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের শারীরিক ও সামগ্রিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় যুবদল নেতা হুমায়ুন কবির বলেন, আমির হোসেন ভাই আমাদের বন্দরের একজন প্রবীণ ও গুণী সংবাদকর্মী। আজ তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি এবং এই কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকার চেষ্টা করছি। সমাজের বিত্তবান ও রাজনৈতিক নেতাদেরও উচিত তাঁর মতো প্রবীণ সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানো।
উল্লেখ্য, প্রবীণ সংবাদকর্মী আমির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ও মারাত্মক শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। বর্তমানে টাইফয়েড জ্বর, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসে কফ এবং হাঁটুর হাড় ক্ষয়জনিত ব্যথায় তিনি শয্যাশায়ী। এছাড়া টাইফয়েডের তীব্র প্রভাবে তাঁর শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারিয়ে গেছে।
হাসপাতালে খোঁজখবর নেওয়ার সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা সজিব হোসেন, মো. শুভ, রহিম মিয়াসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন