ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থী রাজমনি ইসলামের জীবন থেমে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনায়। পাবনার একটি ছাত্রী নিবাস থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার রাধানগর ডিগ্রি বটতলা মোড় এলাকার বাদশা ছাত্রী নিবাসের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রাজমনি ইসলাম পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের কুমারগঞ্জ চেয়ারম্যানপাড়ার বাসিন্দা এবং আকালু হোসেনের মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজমনি দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রী নিবাসে বসবাস করছিলেন। ঘটনার দিন দুপুরে তার রুমমেট বাড়িতে চলে যাওয়ায় তিনি কক্ষে একাই ছিলেন। বিকেলে পাশের ভবনে নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জানালার ফাঁক দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি ছাত্রী নিবাসের মালিককে জানানো হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় রাজমনির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ ঘটনায় রাজমনির পরিবার, স্বজন এবং সহপাঠীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখা এই শিক্ষার্থীর আকস্মিক মৃত্যু এলাকায়ও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থী রাজমনি ইসলামের জীবন থেমে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনায়। পাবনার একটি ছাত্রী নিবাস থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার রাধানগর ডিগ্রি বটতলা মোড় এলাকার বাদশা ছাত্রী নিবাসের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রাজমনি ইসলাম পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের কুমারগঞ্জ চেয়ারম্যানপাড়ার বাসিন্দা এবং আকালু হোসেনের মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজমনি দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রী নিবাসে বসবাস করছিলেন। ঘটনার দিন দুপুরে তার রুমমেট বাড়িতে চলে যাওয়ায় তিনি কক্ষে একাই ছিলেন। বিকেলে পাশের ভবনে নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জানালার ফাঁক দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি ছাত্রী নিবাসের মালিককে জানানো হলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় রাজমনির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ ঘটনায় রাজমনির পরিবার, স্বজন এবং সহপাঠীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখা এই শিক্ষার্থীর আকস্মিক মৃত্যু এলাকায়ও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন