বন্দর প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কেওঢালা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ মনির হোসেন (৫২) নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মনির হোসেন বন্দর থানার নয়ামাটি এলাকার মৃত হাজী আমার ব্যাপারীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামগামী লেনের কেওঢালা নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে একটি অজ্ঞাতনামা দ্রুতগামী গাড়ি মুখোমুখি ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক মনির হোসেনের মৃত্যু হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ নিহতের মরদেহ হেফাজতে নিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে। পরবর্তীতে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
দুর্ঘটনার শিকার অটোরিকশাটি পুলিশ রেকার করে ডাম্পিংয়ে নিয়ে এসেছে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক গাড়িটি নিয়ে চালক দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে অজ্ঞাতনামা গাড়ি ও চালককে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এই বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
বন্দর প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কেওঢালা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ মনির হোসেন (৫২) নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মনির হোসেন বন্দর থানার নয়ামাটি এলাকার মৃত হাজী আমার ব্যাপারীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামগামী লেনের কেওঢালা নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে একটি অজ্ঞাতনামা দ্রুতগামী গাড়ি মুখোমুখি ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক মনির হোসেনের মৃত্যু হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ নিহতের মরদেহ হেফাজতে নিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে। পরবর্তীতে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
দুর্ঘটনার শিকার অটোরিকশাটি পুলিশ রেকার করে ডাম্পিংয়ে নিয়ে এসেছে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক গাড়িটি নিয়ে চালক দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে অজ্ঞাতনামা গাড়ি ও চালককে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এই বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন