সময় বেলা

তৃণমূল থেকে গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রা: শাহজাহান বাশারের গল্প



তৃণমূল থেকে গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রা: শাহজাহান বাশারের গল্প
তৃণমূল থেকে গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রা: শাহজাহান বাশারের গল্প

নিউজ ডেস্ক 

সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার একটি দায়িত্বশীল মাধ্যম। একজন প্রকৃত সাংবাদিকের কাজ হলো সত্য, ন্যায় এবং জনস্বার্থের পক্ষে অবস্থান নেওয়া, যাতে সাধারণ মানুষের কথা নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে যায়। এই বিশ্বাস থেকেই দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা, মানবাধিকার ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সম্পাদক মো. শাহজাহান বাশার।

মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতা দিয়ে তার পেশাগত যাত্রা শুরু। দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূল মানুষের জীবনসংগ্রাম, সামাজিক বৈষম্য, মানবাধিকার লঙ্ঘন, দুর্নীতি, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করে তিনি নিজেকে একজন দায়িত্বশীল সংবাদকর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে চলেছেন। বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মানুষের কাছাকাছি থাকার কারণেই তার লেখায় সমাজের প্রকৃত চিত্র ফুটে ওঠে।

বর্তমানে তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ, ফিচার, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও মতামতধর্মী লেখা প্রকাশের পাশাপাশি জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম **দৈনিক জনতার মতামত**-এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত লেখালেখির মাধ্যমে সমসাময়িক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ ১৮ বছরের কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতা, সম্পাদনা, গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

ডিজিটাল সাংবাদিকতার এই যুগে মো. শাহজাহান বাশার কেবল প্রচলিত গণমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নন; অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও তিনি নিজের পরিচিতি ও কর্মপরিধি বিস্তৃত করেছেন। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, কলাম, সম্পাদকীয় এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি গুগলসহ আন্তর্জাতিক সার্চ প্ল্যাটফর্মগুলোতেও নিজের পেশাগত পরিচয়ের উপস্থিতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে একজন সাংবাদিকের কাজ ও পরিচয় যখন ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত ও অনুসন্ধানযোগ্য হয়ে ওঠে, তখন তা তার দীর্ঘদিনের কর্মনিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব এবং গণমাধ্যমে সক্রিয় অবদানেরই প্রতিফলন বহন করে।

শাহজাহান বাশারের মতে, সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো বস্তুনিষ্ঠতা, সততা এবং জনস্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধতা। তিনি বিশ্বাস করেন, সাংবাদিকের কলম কখনো বিভাজনের নয়; বরং সমাজে সচেতনতা, জবাবদিহিতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

তিনি বলেন, একজন সাংবাদিকের পরিচয় তার পেশাদারিত্বে। সাংবাদিক কোনো নির্দিষ্ট সমাজ, গোষ্ঠী, শ্রেণি বা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নন। তিনি সত্য ও তথ্যের প্রতিনিধি। তাই সাংবাদিকদের দলীয় বা ব্যক্তিগত অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে আত্মমর্যাদা ও পেশাগত নীতিবোধ বজায় রেখে কাজ করা উচিত।

নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে তিনি দেশের প্রথম সারির জাতীয় গণমাধ্যমে আরও বৃহত্তর পরিসরে কাজ করতে চান। তার বিশ্বাস, একজন সাংবাদিকের কাজ কেবল একটি জেলা বা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। তিনি বলেন, “আমি চাই দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে কাজ করার সুযোগ পেলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সত্য ও বাস্তবতাকে আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে। শুধু জেলায় নয়, রাষ্ট্রীয় ও বৈশ্বিক পরিসরেও কাজ করার সুযোগ পেলে একজন সাংবাদিক দেশের প্রকৃত চিত্র আরও কার্যকরভাবে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে পারেন। তখন রাষ্ট্রের বাস্তবতা, মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথাগুলো আরও বৃহত্তর পরিসরে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকতা কোনো পক্ষ বা বিপক্ষের অবস্থান নয়; এটি সত্যের অনুসন্ধান। সাংবাদিকদের উচিত সমাজ, রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা। সংবাদকর্মীরা যদি নিরপেক্ষতা, নৈতিকতা ও আত্মমর্যাদা বজায় রেখে কাজ করেন, তবে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।”

ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকতার নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হলেও চ্যালেঞ্জও কম নয়। ভুয়া তথ্য, গুজব এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণার এই সময়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তিনি মনে করেন, সত্যনিষ্ঠ ও নৈতিক সাংবাদিকতাই পারে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে।

একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেন। তার মতে, লেখালেখি এমন হওয়া উচিত যা সমাজে ঘৃণা বা বিভেদ নয়, বরং মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং ইতিবাচক চিন্তার প্রসার ঘটায়। তিনি কখনো এমন কোনো লেখা বা বক্তব্য সমর্থন করেন না, যা ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সমাজের মধ্যে বিদ্বেষ, হিংসা কিংবা বিভাজনের পরিবেশ সৃষ্টি করে।

যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক, দুর্নীতি, ইভটিজিং, ধর্ষণ এবং অন্যান্য সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সচেতন ও দায়িত্বশীল যুবসমাজই একটি সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনের প্রধান শক্তি হতে পারে। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, যুবসমাজ ঐক্যবদ্ধ হলে মাদক, দুর্নীতি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব।

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতিও তিনি সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, প্রতিহিংসা, বিভাজন ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। মতের ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই।

পরিশেষে বলা যায়, সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকারকে ধারণ করেই মো. শাহজাহান বাশার দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার, জনস্বার্থ এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা করে চলেছেন। সত্য, ন্যায়, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতি তার এই অঙ্গীকার ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্ট মহলের। সমাজ, রাষ্ট্র এবং মানুষের কল্যাণে একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে তার এই পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক এটাই সকলের কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সময় বেলা

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬


তৃণমূল থেকে গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রা: শাহজাহান বাশারের গল্প

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

নিউজ ডেস্ক 

সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরার একটি দায়িত্বশীল মাধ্যম। একজন প্রকৃত সাংবাদিকের কাজ হলো সত্য, ন্যায় এবং জনস্বার্থের পক্ষে অবস্থান নেওয়া, যাতে সাধারণ মানুষের কথা নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে যায়। এই বিশ্বাস থেকেই দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা, মানবাধিকার ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সম্পাদক মো. শাহজাহান বাশার।

মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতা দিয়ে তার পেশাগত যাত্রা শুরু। দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূল মানুষের জীবনসংগ্রাম, সামাজিক বৈষম্য, মানবাধিকার লঙ্ঘন, দুর্নীতি, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করে তিনি নিজেকে একজন দায়িত্বশীল সংবাদকর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে চলেছেন। বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মানুষের কাছাকাছি থাকার কারণেই তার লেখায় সমাজের প্রকৃত চিত্র ফুটে ওঠে।

বর্তমানে তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইন গণমাধ্যমে সংবাদ, ফিচার, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও মতামতধর্মী লেখা প্রকাশের পাশাপাশি জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম **দৈনিক জনতার মতামত**-এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত লেখালেখির মাধ্যমে সমসাময়িক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ ১৮ বছরের কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতা, সম্পাদনা, গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

ডিজিটাল সাংবাদিকতার এই যুগে মো. শাহজাহান বাশার কেবল প্রচলিত গণমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ নন; অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও তিনি নিজের পরিচিতি ও কর্মপরিধি বিস্তৃত করেছেন। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, কলাম, সম্পাদকীয় এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি গুগলসহ আন্তর্জাতিক সার্চ প্ল্যাটফর্মগুলোতেও নিজের পেশাগত পরিচয়ের উপস্থিতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে একজন সাংবাদিকের কাজ ও পরিচয় যখন ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষিত ও অনুসন্ধানযোগ্য হয়ে ওঠে, তখন তা তার দীর্ঘদিনের কর্মনিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব এবং গণমাধ্যমে সক্রিয় অবদানেরই প্রতিফলন বহন করে।

শাহজাহান বাশারের মতে, সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো বস্তুনিষ্ঠতা, সততা এবং জনস্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধতা। তিনি বিশ্বাস করেন, সাংবাদিকের কলম কখনো বিভাজনের নয়; বরং সমাজে সচেতনতা, জবাবদিহিতা এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।

তিনি বলেন, একজন সাংবাদিকের পরিচয় তার পেশাদারিত্বে। সাংবাদিক কোনো নির্দিষ্ট সমাজ, গোষ্ঠী, শ্রেণি বা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নন। তিনি সত্য ও তথ্যের প্রতিনিধি। তাই সাংবাদিকদের দলীয় বা ব্যক্তিগত অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে আত্মমর্যাদা ও পেশাগত নীতিবোধ বজায় রেখে কাজ করা উচিত।

নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে তিনি দেশের প্রথম সারির জাতীয় গণমাধ্যমে আরও বৃহত্তর পরিসরে কাজ করতে চান। তার বিশ্বাস, একজন সাংবাদিকের কাজ কেবল একটি জেলা বা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। তিনি বলেন, “আমি চাই দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে কাজ করার সুযোগ পেলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সত্য ও বাস্তবতাকে আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরতে। শুধু জেলায় নয়, রাষ্ট্রীয় ও বৈশ্বিক পরিসরেও কাজ করার সুযোগ পেলে একজন সাংবাদিক দেশের প্রকৃত চিত্র আরও কার্যকরভাবে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে পারেন। তখন রাষ্ট্রের বাস্তবতা, মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথাগুলো আরও বৃহত্তর পরিসরে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকতা কোনো পক্ষ বা বিপক্ষের অবস্থান নয়; এটি সত্যের অনুসন্ধান। সাংবাদিকদের উচিত সমাজ, রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা। সংবাদকর্মীরা যদি নিরপেক্ষতা, নৈতিকতা ও আত্মমর্যাদা বজায় রেখে কাজ করেন, তবে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।”

ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকতার নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হলেও চ্যালেঞ্জও কম নয়। ভুয়া তথ্য, গুজব এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণার এই সময়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তিনি মনে করেন, সত্যনিষ্ঠ ও নৈতিক সাংবাদিকতাই পারে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে।

একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেন। তার মতে, লেখালেখি এমন হওয়া উচিত যা সমাজে ঘৃণা বা বিভেদ নয়, বরং মানবিকতা, সহমর্মিতা এবং ইতিবাচক চিন্তার প্রসার ঘটায়। তিনি কখনো এমন কোনো লেখা বা বক্তব্য সমর্থন করেন না, যা ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সমাজের মধ্যে বিদ্বেষ, হিংসা কিংবা বিভাজনের পরিবেশ সৃষ্টি করে।

যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক, দুর্নীতি, ইভটিজিং, ধর্ষণ এবং অন্যান্য সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সচেতন ও দায়িত্বশীল যুবসমাজই একটি সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনের প্রধান শক্তি হতে পারে। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, যুবসমাজ ঐক্যবদ্ধ হলে মাদক, দুর্নীতি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব।

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতিও তিনি সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, প্রতিহিংসা, বিভাজন ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। মতের ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই।

পরিশেষে বলা যায়, সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকারকে ধারণ করেই মো. শাহজাহান বাশার দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার, জনস্বার্থ এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা করে চলেছেন। সত্য, ন্যায়, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতি তার এই অঙ্গীকার ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এমন প্রত্যাশাই সংশ্লিষ্ট মহলের। সমাজ, রাষ্ট্র এবং মানুষের কল্যাণে একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে তার এই পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক এটাই সকলের কামনা করেন।


সময় বেলা

সম্পাদক
আবু সাউদ মাসুদ
বার্তা প্রকাশক
তিয়ান

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
তৃণমূল থেকে গণমাধ্যমের অগ্রযাত্রা: শাহজাহান বাশারের গল্প
0:00 / 0:00
1x