স্থানীয় পর্যায়ে সহজ ও দ্রুত বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বার্ষিক ক্যাম্পেইন, র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) সকালে উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে 'বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প'-এর আওতায় এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিবানী সরকার।
ধামগড় ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং গ্রাম আদালতের সমন্বয়ক সীমা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল আলম জাহিদ, হাবিবুর রহমান মেম্বার, ফয়জুর রহমান মেম্বার এবং বিএনপি নেতা আমির হামজা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শিবানী সরকার বলেন,গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তির একটি কার্যকর, সহজলভ্য ও জনবান্ধব ব্যবস্থা। প্রচলিত আদালতে মামলা জটের যে চাপ, তা কমাতে এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে গ্রাম আদালত অনন্য ভূমিকা পালন করছে।
তিনি আরও বলেন,সাধারণ আদালতে বিচার প্রক্রিয়ায় এক পক্ষ হারে এবং অন্য পক্ষ জেতে। কিন্তু গ্রাম আদালত হচ্ছে এমন একটি জায়গা যেখানে কোনো পক্ষই হারে না, বরং আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষের জয় নিশ্চিত হয়। আদালতই যেন আজ মানুষের দোরগোড়ায় এসে হাজির হয়েছে। এটি কেবল বিচার কার্যই সম্পন্ন করে না, বরং মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে সমাজে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে।
ক্যাম্পেইনে বক্তারা গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা, সেবার ধরণ, আইনি প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং নামমাত্র খরচে ও দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার নানাদিক বিস্তারিতভাবে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেন। স্থানীয় পর্যায়ে এই আদালতের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে ব্যাপক প্রচারণার ওপর জোর দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ধামগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।
আলোচনা সভা শেষে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২০ জন ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
স্থানীয় পর্যায়ে সহজ ও দ্রুত বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বার্ষিক ক্যাম্পেইন, র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) সকালে উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে 'বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প'-এর আওতায় এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিবানী সরকার।
ধামগড় ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং গ্রাম আদালতের সমন্বয়ক সীমা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল আলম জাহিদ, হাবিবুর রহমান মেম্বার, ফয়জুর রহমান মেম্বার এবং বিএনপি নেতা আমির হামজা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও শিবানী সরকার বলেন,গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তির একটি কার্যকর, সহজলভ্য ও জনবান্ধব ব্যবস্থা। প্রচলিত আদালতে মামলা জটের যে চাপ, তা কমাতে এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে গ্রাম আদালত অনন্য ভূমিকা পালন করছে।
তিনি আরও বলেন,সাধারণ আদালতে বিচার প্রক্রিয়ায় এক পক্ষ হারে এবং অন্য পক্ষ জেতে। কিন্তু গ্রাম আদালত হচ্ছে এমন একটি জায়গা যেখানে কোনো পক্ষই হারে না, বরং আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষের জয় নিশ্চিত হয়। আদালতই যেন আজ মানুষের দোরগোড়ায় এসে হাজির হয়েছে। এটি কেবল বিচার কার্যই সম্পন্ন করে না, বরং মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে সমাজে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে।
ক্যাম্পেইনে বক্তারা গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা, সেবার ধরণ, আইনি প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং নামমাত্র খরচে ও দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার নানাদিক বিস্তারিতভাবে সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরেন। স্থানীয় পর্যায়ে এই আদালতের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে ব্যাপক প্রচারণার ওপর জোর দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ধামগড় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।
আলোচনা সভা শেষে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২০ জন ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন