দেশের রাজনীতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের স্মৃতিশক্তি দীর্ঘস্থায়ী নয় এবং সেই বাস্তবতায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তী সরকারের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া, বিভিন্ন উপদেষ্টার ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।
সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন বলেন, “আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে পুরোপুরি আউট হয়ে গেছে বা যাবে— এমনটা আমি মনে করি না। আমাদের দেশের মানুষের স্মৃতি শক্তি এত দীর্ঘ নয়। আমার অনুমান, তারা আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।”
তার এই মন্তব্য ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা থাকলেও সাবেক এই উপদেষ্টার বক্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাত সদস্যের একটি “কিচেন কেবিনেট” কার্যকর ভূমিকা পালন করতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো।
নিজ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে একাধিক উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ ছিল বলেও অভিযোগ করেন তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতির কারণে তিনি তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তার পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন সাবেক এই উপদেষ্টা। তার দাবি, ওই চুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনেক ক্ষেত্রেই অন্ধকারে রাখা হয়েছিল এবং মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানতো না।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। এরপর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দলটির ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে তৌহিদ হোসেনের এই মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
দেশের রাজনীতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের স্মৃতিশক্তি দীর্ঘস্থায়ী নয় এবং সেই বাস্তবতায় আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তী সরকারের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া, বিভিন্ন উপদেষ্টার ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।
সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন বলেন, “আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে পুরোপুরি আউট হয়ে গেছে বা যাবে— এমনটা আমি মনে করি না। আমাদের দেশের মানুষের স্মৃতি শক্তি এত দীর্ঘ নয়। আমার অনুমান, তারা আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।”
তার এই মন্তব্য ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা থাকলেও সাবেক এই উপদেষ্টার বক্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাত সদস্যের একটি “কিচেন কেবিনেট” কার্যকর ভূমিকা পালন করতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো।
নিজ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে একাধিক উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ ছিল বলেও অভিযোগ করেন তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতির কারণে তিনি তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তার পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন সাবেক এই উপদেষ্টা। তার দাবি, ওই চুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনেক ক্ষেত্রেই অন্ধকারে রাখা হয়েছিল এবং মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানতো না।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে। এরপর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দলটির ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে তৌহিদ হোসেনের এই মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন