জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের কল্যাণ তহবিল থেকে এ এয়ার টিকেট প্রদান করা হয়। কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাসিন্দা কামাল হোসেন (৪২) দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগজনিত শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসা ও পরিবারের সেবাযত্ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাকে দ্রুত দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়।
এ সময় হাইকমিশনার ড. মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় বাংলাদেশ সরকার এবং মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন সর্বদা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের যেকোনো মানবিক, স্বাস্থ্যগত কিংবা কল্যাণমূলক সমস্যায় বাংলাদেশ হাইকমিশন সবসময় পাশে রয়েছে এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রবাসীদের সার্বিক মঙ্গল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যগত জরুরি পরিস্থিতি, শ্রম কল্যাণ, মানবিক সহায়তা ও অন্যান্য সমস্যার বিষয়ে দূতাবাস নিবিড়ভাবে তদারকি ও অনুসরণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।”
এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব মোঃ মোতাছেম বিল্যাহ এবং তৃতীয় সচিব সৈয়দ আমজাদ আলী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিবৃতিতে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানায়, তাঁদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ সুরক্ষায় দূতাবাস সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
জানা যায়, বাংলাদেশ সরকারের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের কল্যাণ তহবিল থেকে এ এয়ার টিকেট প্রদান করা হয়। কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাসিন্দা কামাল হোসেন (৪২) দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর হৃদরোগজনিত শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসা ও পরিবারের সেবাযত্ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাকে দ্রুত দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়।
এ সময় হাইকমিশনার ড. মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় বাংলাদেশ সরকার এবং মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন সর্বদা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের যেকোনো মানবিক, স্বাস্থ্যগত কিংবা কল্যাণমূলক সমস্যায় বাংলাদেশ হাইকমিশন সবসময় পাশে রয়েছে এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রবাসীদের সার্বিক মঙ্গল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যগত জরুরি পরিস্থিতি, শ্রম কল্যাণ, মানবিক সহায়তা ও অন্যান্য সমস্যার বিষয়ে দূতাবাস নিবিড়ভাবে তদারকি ও অনুসরণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।”
এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব মোঃ মোতাছেম বিল্যাহ এবং তৃতীয় সচিব সৈয়দ আমজাদ আলী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিবৃতিতে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানায়, তাঁদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ সুরক্ষায় দূতাবাস সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন