চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটা সতীশ বাবু লেনে দিনের আলোতেই রিকশাযাত্রীর পথ আটকে ছুরিকাঘাত করে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ফুটেজে থাকা দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
শনিবার স্থানীয় একটি ভবন থেকে ধারণ করা ভিডিওচিত্রটি পুলিশের হাতে পৌঁছায়। পরে ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের কাজ শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ভিডিওতে দেখা যায়, সতীশ বাবু লেনের সড়কে একটি রিকশা থামিয়ে দুই ব্যক্তি এক যাত্রীকে ঘিরে ফেলেন। তাদের একজনের হাতে ছিল ধারালো ছুরি। ছুরি দেখিয়ে ওই যাত্রীকে ভয় দেখানোর পাশাপাশি তার সঙ্গে থাকা টাকা ও মালামাল নেওয়ার চেষ্টা করেন অপর ব্যক্তি।
এ সময় রিকশাযাত্রী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে একপর্যায়ে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে সড়কের ওপর নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরে তার সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন দুই ব্যক্তি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সতীশ বাবু লেনটি কোতোয়ালি থানার পেছনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। প্রতিদিন ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কর্মজীবী নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচল থাকে এ পথে। অভিযোগ রয়েছে, এই ব্যস্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে অটোরিকশায় করে আসা একটি ছিনতাইকারী চক্র এলাকায় সক্রিয় রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ভোরের দিকে এ এলাকায় পথচারীদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের অভিযোগ আগেও শোনা গেছে। তবে অনেকেই হয়রানি বা ঝামেলা এড়াতে থানায় লিখিত অভিযোগ করতে আগ্রহী হন না। এ কারণে এসব ঘটনার সঙ্গে একই চক্র জড়িত কি না, তা অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আসে না।
সতীশ বাবু লেনের বাসিন্দাদের দাবি, ভিডিও ফুটেজে থাকা দুই ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হলে সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় ঘটে যাওয়া অন্যান্য ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলোর সঙ্গেও তাদের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা বেরিয়ে আসতে পারে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদ নূর বলেন, ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ পুলিশের হাতে এসেছে। ঘটনার পর ওই এলাকায় মোবাইল টিমের টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে অভিযোগ না থাকলেও পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (দক্ষিণ) উপ-কমিশনার হাবিবুর রহমান প্রামাণিক বলেন, ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ওই দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটা সতীশ বাবু লেনে দিনের আলোতেই রিকশাযাত্রীর পথ আটকে ছুরিকাঘাত করে নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ফুটেজে থাকা দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
শনিবার স্থানীয় একটি ভবন থেকে ধারণ করা ভিডিওচিত্রটি পুলিশের হাতে পৌঁছায়। পরে ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের কাজ শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ভিডিওতে দেখা যায়, সতীশ বাবু লেনের সড়কে একটি রিকশা থামিয়ে দুই ব্যক্তি এক যাত্রীকে ঘিরে ফেলেন। তাদের একজনের হাতে ছিল ধারালো ছুরি। ছুরি দেখিয়ে ওই যাত্রীকে ভয় দেখানোর পাশাপাশি তার সঙ্গে থাকা টাকা ও মালামাল নেওয়ার চেষ্টা করেন অপর ব্যক্তি।
এ সময় রিকশাযাত্রী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে একপর্যায়ে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে সড়কের ওপর নিস্তেজ হয়ে পড়েন। পরে তার সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন দুই ব্যক্তি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সতীশ বাবু লেনটি কোতোয়ালি থানার পেছনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। প্রতিদিন ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কর্মজীবী নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচল থাকে এ পথে। অভিযোগ রয়েছে, এই ব্যস্ত সময়কে কাজে লাগিয়ে অটোরিকশায় করে আসা একটি ছিনতাইকারী চক্র এলাকায় সক্রিয় রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ভোরের দিকে এ এলাকায় পথচারীদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের অভিযোগ আগেও শোনা গেছে। তবে অনেকেই হয়রানি বা ঝামেলা এড়াতে থানায় লিখিত অভিযোগ করতে আগ্রহী হন না। এ কারণে এসব ঘটনার সঙ্গে একই চক্র জড়িত কি না, তা অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আসে না।
সতীশ বাবু লেনের বাসিন্দাদের দাবি, ভিডিও ফুটেজে থাকা দুই ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হলে সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় ঘটে যাওয়া অন্যান্য ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলোর সঙ্গেও তাদের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা বেরিয়ে আসতে পারে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদ নূর বলেন, ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ পুলিশের হাতে এসেছে। ঘটনার পর ওই এলাকায় মোবাইল টিমের টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। ভিডিওতে দেখা দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে অভিযোগ না থাকলেও পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (দক্ষিণ) উপ-কমিশনার হাবিবুর রহমান প্রামাণিক বলেন, ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে ওই দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন