দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব ও রেকর্ড শিশুমৃত্যুর পেছনে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের চরম গাফিলতি ও উদাসীনতাকে দায়ী করেছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। তৎকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অন্তত ৫ বার লিখিত চিঠি এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ১০ বার জরুরি বৈঠক করেও সম্ভাব্য টিকাসংকটের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সরকারের ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের কারণে সময়মতো টিকা আসেনি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঢাকায় ইউনিসেফ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইউনিসেফের বারবার তাগাদা ও উদ্বেগ প্রকাশ সত্ত্বেও তৎকালীন সরকার সময়মতো ব্যবস্থা নেয়নি। উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহ করতে প্রায় এক বছর সময় লেগে যায়, যা সংকটের মূল কারণ। অথচ ইউনিসেফের মাধ্যমে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব ছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি
চলতি বছর দেশে হামে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এবং রেকর্ড ৪৮১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে আশার কথা হলো, ইতিমধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তদন্তের উদ্যোগ
টিকাসংকট ও শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্তে বর্তমান সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ইউনিসেফ। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, "ইউনিসেফ সব সময় সত্যের পক্ষে।"
বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মারাত্মক প্রাদুর্ভাবের পেছনে গত অন্তর্বর্তী সরকারের টিকাদানে গাফিলতিই প্রধানত দায়ী। ভবিষ্যতে যেন এমন সংকট আর না হয়, সেজন্য টিকার স্থায়ী মজুত নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে ইউনিসেফ।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব ও রেকর্ড শিশুমৃত্যুর পেছনে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের চরম গাফিলতি ও উদাসীনতাকে দায়ী করেছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। তৎকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অন্তত ৫ বার লিখিত চিঠি এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ১০ বার জরুরি বৈঠক করেও সম্ভাব্য টিকাসংকটের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সরকারের ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের কারণে সময়মতো টিকা আসেনি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঢাকায় ইউনিসেফ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স এসব তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ইউনিসেফের বারবার তাগাদা ও উদ্বেগ প্রকাশ সত্ত্বেও তৎকালীন সরকার সময়মতো ব্যবস্থা নেয়নি। উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহ করতে প্রায় এক বছর সময় লেগে যায়, যা সংকটের মূল কারণ। অথচ ইউনিসেফের মাধ্যমে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব ছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি
চলতি বছর দেশে হামে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এবং রেকর্ড ৪৮১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে আশার কথা হলো, ইতিমধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তদন্তের উদ্যোগ
টিকাসংকট ও শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্তে বর্তমান সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ইউনিসেফ। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, "ইউনিসেফ সব সময় সত্যের পক্ষে।"
বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মারাত্মক প্রাদুর্ভাবের পেছনে গত অন্তর্বর্তী সরকারের টিকাদানে গাফিলতিই প্রধানত দায়ী। ভবিষ্যতে যেন এমন সংকট আর না হয়, সেজন্য টিকার স্থায়ী মজুত নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে ইউনিসেফ।

আপনার মতামত লিখুন