পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে আরও একটি হোয়াইটওয়াশ। তাও আবার এবার নিজেদের ঘরের মাঠে। রাওয়ালপিন্ডির পর এবার সিলেটের মাটিতে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনে ৭৮ রানের রোমাঞ্চকর এক জয় পেয়েছে টাইগাররা। ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জিতেছে ২-০ ব্যবধানে।
এর আগে পাকিস্তানের মাটিতে গিয়ে তাদেরকে ধবলধোলাই করার কীর্তি ছিল শান্ত-মিরাজদের। এবার ঘরের মাঠেও সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে বাংলাদেশ প্রমাণ করলো—টেস্ট ক্রিকেটে তারা কতটা পরিপক্ক হয়ে উঠেছে।
পঞ্চম দিনের সকালে মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং সাজিদ খানের ৫৪ রানের জুটিটি যখন টি-টোয়েন্টি স্টাইলে রান তুলে বাংলাদেশের শিবিরে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছিল। থিতু হয়ে যাওয়া সাজিদ খানকে (২৮) স্লিপে ক্যাচ বানিয়ে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাইজুল ইসলাম।
পরের ওভারেই নার্ভাস নাইনটিজে থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে (৯৪) শরিফুল ইসলাম আউট করলে পাকিস্তানের জয়ের সব আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। গালিতে দারুণ ক্যাচ নেন মিরাজ।
শেষ ব্যাটার হিসেবে খুররম শেহজাদকে আউট করে নিজের ৬ উইকেট পূর্ণ করার পাশাপাশি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেন তাইজুল।
শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছেন খুররম শেহজাদ। তাকে আউট করে ইনিংসে ৬ উইকেট পূরণ করেছেন তাইজুল। পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৫৮ রানে। এর আগে, মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দেয় স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি নেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এছাড়া দুটি উইকেট নেন নাহিদ রানা। আর একটি করে উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
স্কোরকার্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৭৮/১০
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ২৩২/১০ (বাংলাদেশ ৪৬ রানের লিডে ছিল)
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৩৯০/১০ (মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরি)
পাকিস্তান ২য় ইনিংস: ৩৫৮/১০ (লক্ষ্য ছিল ৪৩৭ রান)
ফলাফল: বাংলাদেশ ৭৮ রানে জয়ী এবং সিরিজে ২-০ ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে আরও একটি হোয়াইটওয়াশ। তাও আবার এবার নিজেদের ঘরের মাঠে। রাওয়ালপিন্ডির পর এবার সিলেটের মাটিতে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনে ৭৮ রানের রোমাঞ্চকর এক জয় পেয়েছে টাইগাররা। ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জিতেছে ২-০ ব্যবধানে।
এর আগে পাকিস্তানের মাটিতে গিয়ে তাদেরকে ধবলধোলাই করার কীর্তি ছিল শান্ত-মিরাজদের। এবার ঘরের মাঠেও সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে বাংলাদেশ প্রমাণ করলো—টেস্ট ক্রিকেটে তারা কতটা পরিপক্ক হয়ে উঠেছে।
পঞ্চম দিনের সকালে মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং সাজিদ খানের ৫৪ রানের জুটিটি যখন টি-টোয়েন্টি স্টাইলে রান তুলে বাংলাদেশের শিবিরে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছিল। থিতু হয়ে যাওয়া সাজিদ খানকে (২৮) স্লিপে ক্যাচ বানিয়ে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাইজুল ইসলাম।
পরের ওভারেই নার্ভাস নাইনটিজে থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে (৯৪) শরিফুল ইসলাম আউট করলে পাকিস্তানের জয়ের সব আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। গালিতে দারুণ ক্যাচ নেন মিরাজ।
শেষ ব্যাটার হিসেবে খুররম শেহজাদকে আউট করে নিজের ৬ উইকেট পূর্ণ করার পাশাপাশি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেন তাইজুল।
শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছেন খুররম শেহজাদ। তাকে আউট করে ইনিংসে ৬ উইকেট পূরণ করেছেন তাইজুল। পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৫৮ রানে। এর আগে, মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দেয় স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি নেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এছাড়া দুটি উইকেট নেন নাহিদ রানা। আর একটি করে উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
স্কোরকার্ডের সংক্ষিপ্ত রূপ
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৭৮/১০
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ২৩২/১০ (বাংলাদেশ ৪৬ রানের লিডে ছিল)
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৩৯০/১০ (মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরি)
পাকিস্তান ২য় ইনিংস: ৩৫৮/১০ (লক্ষ্য ছিল ৪৩৭ রান)
ফলাফল: বাংলাদেশ ৭৮ রানে জয়ী এবং সিরিজে ২-০ ব্যবধানে চ্যাম্পিয়ন।

আপনার মতামত লিখুন