সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশে অনলাইন নিবন্ধন অনুযায়ী ৪৬ লাখের বেশি বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশু রয়েছে। তাদের সমাজের বোঝা নয়, বরং সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ, খেলাধুলা ও দক্ষতা উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) নগরীর একটি অভিজাত কনভেনশন হলে হিউম্যান কেয়ার সংগঠন আয়োজিত ‘স্পেশাল অ্যাবিলিটি সামিট- ২০২৬’ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা নানা প্রতিভার অধিকারী। উপযুক্ত সুযোগ ও প্রশিক্ষণ পেলে তারা দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম। তিনি সমাজের সবাইকে তাদের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি বলেন, বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হলে শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক অংশগ্রহণে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কর্মপরিবেশকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
হিউম্যান কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এমজি রাব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এম এ মালেক, এমরান আহমদ চৌধুরী, লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, এসএমপি কমিশনার আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা।
সামিটে ‘ভুল ধারণা ভাঙা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষজ্ঞরা অটিজম সচেতনতা, সহায়তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য দানবীর ড. রাগীব আলীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
দিনব্যাপী আয়োজনে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। শেষে ধন্যবাদ বক্তব্যের মাধ্যমে সামিটের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
বিষয় : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশে অনলাইন নিবন্ধন অনুযায়ী ৪৬ লাখের বেশি বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশু রয়েছে। তাদের সমাজের বোঝা নয়, বরং সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ, খেলাধুলা ও দক্ষতা উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) নগরীর একটি অভিজাত কনভেনশন হলে হিউম্যান কেয়ার সংগঠন আয়োজিত ‘স্পেশাল অ্যাবিলিটি সামিট- ২০২৬’ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরা নানা প্রতিভার অধিকারী। উপযুক্ত সুযোগ ও প্রশিক্ষণ পেলে তারা দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম। তিনি সমাজের সবাইকে তাদের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি বলেন, বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হলে শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক অংশগ্রহণে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কর্মপরিবেশকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
হিউম্যান কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এমজি রাব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এম এ মালেক, এমরান আহমদ চৌধুরী, লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, এসএমপি কমিশনার আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা।
সামিটে ‘ভুল ধারণা ভাঙা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা’ শীর্ষক একটি বিশেষ প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষজ্ঞরা অটিজম সচেতনতা, সহায়তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য দানবীর ড. রাগীব আলীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
দিনব্যাপী আয়োজনে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। শেষে ধন্যবাদ বক্তব্যের মাধ্যমে সামিটের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন