সময় বেলা

বন্দরে ওসি জামাল উদ্দিনের গতিশীল নেতৃত্ব: চাঞ্চল্যকর ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২

​বন্দর প্রতিনিধি: অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের ধারাবাহিকতায় বন্দর থানা পুলিশের এক সফল অভিযানে বহুল আলোচিত একটি ডাকাতি মামলার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জামাল উদ্দিনের সূক্ষ্ম দূরদর্শিতা ও সুদক্ষ নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মদনপুর এলাকার ডাকাতিতে জড়িত দুই পেশাদার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় বন্দরে অপরাধপ্রবণতা নির্মূলে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ওসি মো. জামাল উদ্দিন। পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ওসি জামাল উদ্দিনের নির্দেশে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টায় বন্দর কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ওসির সার্বিক তদারকি ও পুলিশ পরিদর্শক মো. আনিসুর রহমান শিবলীর প্রত্যক্ষ পরিচালনায় একদল চৌকস পুলিশ সদস্যের তৎপরতায় দুই চিহ্নিত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বন্দর থানার নেহাল সরদারবাগ এলাকার মৃত জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে ডাকাত দলের সদস্য রুবেল মিয়া (৩০) ও ফুলহর এলাকার সরফত আলী মিয়ার ছেলে মাজহারুল ইসলাম (৩২)। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে বন্দর থানার মদনপুর এলাকায় একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই ওসি মো. জামাল উদ্দিনের বিশেষ উদ্যোগে নিবিড় তদন্ত শুরু হয়। প্রযুক্তির নিখুঁত ব্যবহার, গোপন অনুসন্ধান ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে এই দুজনের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার সত্যতা প্রকাশ পায়।​এ বিষয়ে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন,বন্দর থানাকে অপরাধমুক্ত রাখা এবং নাগরিকদের নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা দেওয়া আমাদের অঙ্গীকার। সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতেই মদনপুরের চাঞ্চল্যকর ডাকাতিতে জড়িত এই দুই আসামিকে আমরা আইনের আওতায় এনেছি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের নামে পূর্বেও একাধিক অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের এ জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।গ্রেপ্তারকৃতদের বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে  বন্দর থানার দায়েরকৃত ডাকাতি মামলায় এদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

বন্দরে ওসি জামাল উদ্দিনের গতিশীল নেতৃত্ব: চাঞ্চল্যকর ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২