উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মো. শাহজাহান বাশার, মহানগর প্রতিনিধি ||
মাদকমুক্ত যুবসমাজ গঠনে শিক্ষা ও সচেতনতার পাশাপাশি সংস্কৃতি, সাহিত্য, খেলাধুলা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায়।রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যাডভোকেট মোঃ হাবিবুল হক।‘মাদকমুক্ত যুবসমাজ বিনির্মাণে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে আলোচনা সভার পাশাপাশি গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সভাপতি অ্যাডভোকেট হাবিবুল হক জজকোর্ট, ঢাকার আইনজীবী। তিনি নব উজ্জীবিত বাংলাদেশ সমাজের সভাপতি এবং সোনার বাংলা সাংস্কৃতিক সংগঠনের উপদেষ্টা। আইন অঙ্গনে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ও নৈতিকতার চর্চায় বিশেষ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিলদার বখত। উদ্বোধক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হামিদা খানম এবং প্রধান আলোচক ছিলেন রেজাউলদৌলা চৌধুরী।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে হলে তাদের জন্য সুস্থ ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে তরুণদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে। সাহিত্য, সংগীত, নাটক, আবৃত্তি, চিত্রকলা ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ড তরুণদের মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।বক্তারা আরও বলেন, সংস্কৃতি মানুষের মধ্যে মানবিকতা, সহনশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। তাই মাদকবিরোধী আন্দোলনে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সম্পৃক্ততা বাড়ানো প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।সোনার বাংলা সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সার্ক হিউম্যান রাইটস ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে মাদকবিরোধী সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি উদ্যোগ হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে।