উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
হাসিনুজ্জামান মিন্টু , উপজেলা প্রতিনিধি, রানীশংকৈল ||
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।উপজেলা প্রশাসন, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁওয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ র্যালিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহাজান আলী, সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আনসারুল ইসলাম সাদেকুলসহ পৌর বিএনপির বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।র্যালির মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির বার্তা দেওয়া হয়। ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত থাকতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।ডেঙ্গুর প্রধান বাহক এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি। ব্যবহৃত পানির পাত্র ঢেকে রাখা এবং অব্যবহৃত পাত্র উল্টে রাখার মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল কমানো সম্ভব।এ ছাড়া বাড়ির আশপাশের নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলা এবং দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকে এমন স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, প্রতিটি পরিবার ও এলাকার বাসিন্দাদেরও নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।সংশ্লিষ্টদের মতে, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। এ জন্য বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রতিবেশীদেরও সচেতন করা প্রয়োজন।ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।