উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
এম.এ. আরিফ, স্টাফ রিপোর্টার ||
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নাসিকের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মো. মেহেদী হাসান শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ জুন রাতে মিজমিজি কান্দাপাড়া এলাকায় সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে এবং তার নির্দেশে মুক্তার, সোলাইমান পলাশ, সাইফুল, নাজমুল, জসিম, টুটুল, জহিরুল, সেলিম, ইয়াসিন, জিসান ও জাহিদসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘবদ্ধ হয়ে সিটি কর্পোরেশনের ল্যাম্পপোস্ট মেরামতের কাজে বাধা দেয়। লিখিত অভিযোগে বলা হয়, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা মেহেদী হাসানের বাড়ির সামনে গিয়ে তাকে উদ্দেশ্য করে গালাগাল করতে থাকে এবং জোরপূর্বক তার বাসায় প্রবেশ করে। পরে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন মেহেদী হাসানের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের ভাই তুহিনকে সচিবের পদ থেকে অপসারণ করে মো. মেহেদী হাসানকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ইকবাল হোসেন ও তার অনুসারীরা তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে মেহেদী হাসান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় মেহেদী হাসানকে সচিবের পদ থেকে পদত্যাগ না করলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেয়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা হত্যাচেষ্টার অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন, “মেহেদী হাসান টাকার বিনিময়ে দুটি ল্যাম্পপোস্টের খুঁটি কেটে ফেলেছেন বলে জানতে পেরে আমি তার কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছি। দীর্ঘদিন আমি এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলাম। এ সকল উন্নয়নমূলক কাজগুলো আমি করেছি। এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"